Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মাথাভাঙা-১: পরিস্থিতি বদলেছে, সাতটি পঞ্চায়েতেই বড় লিড দিতে ঝাঁপাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা

মাথাভাঙা-১ ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এবারে বড় লিড পেতে এখন থেকে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। শীতলকুচি বিধানসভার এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির ভরসার জায়গা।

মাথাভাঙা-১: পরিস্থিতি বদলেছে, সাতটি পঞ্চায়েতেই বড় লিড দিতে ঝাঁপাচ্ছেন তৃণমূল নেতারা
  • ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সন্দীপ বর্মন, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-১ ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে এবারে বড় লিড পেতে এখন থেকে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। শীতলকুচি বিধানসভার এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির ভরসার জায়গা। এরমধ্যে নয়ারহাট গত পঞ্চায়েত ভোটে দখল করেছিল বিজেপি। কিন্তু প্রধান দলবদলে এখন তৃণমূলে। ফলে নয়ারহাটেও বিজেপির সংগঠন অনেকটাই নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এই পঞ্চায়েতের গোপালপুর ও কেদারহাটে শুধু তৃণমূল-বিজেপি সেয়ানে সেয়ানে টক্কর হয়। বাকি নয়ারহাট, বৈরাগীরহাট, শিকারপুর, কুর্শামারি ও জোরপাটকিতে বিগত কয়েকটি নির্বাচনে ভালো লিড পেয়েছে বিজেপি। 

Advertisement

কুর্শামারি গ্রাম পঞ্চায়েতের সীমান্ত এলাকায় একচেটিয়া বিজেপির পঞ্চায়েতরা জয়ী হয়েছিল। গত পঞ্চায়েত ভোটেও বেশ কয়েকটি বুথে তৃণমূলের এজেন্টরা বসতে পারেননি। তবে লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে চিত্রটা পাল্টে গিয়েছে। প্রতিটি বুথে সংগঠন শক্ত করতে উঠেপড়ে লেগেছে তৃণমূল। রাজ্য সরকারের একাধিক জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষ যে পাচ্ছে, তা তুলে ধরে প্রচার চালানো হচ্ছে। এতে মিলছে সুবিধাও। বিজেপির থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে মানুষ। যদিও বিজেপির দাবি, তৃণমূল শুধু মানুষকে ভুল বোঝায়। সরকারি কাজ যতটুকু হয়েছে, তাতে কাটমানি নিয়ে ফুলেফেঁপে উঠছেন স্থানীয় নেতারা। মানুষ সবই জানে, দেখছেও। ভোটেও মানুষ এই দুর্নীতির জবাব দেবে। 
তৃণমূলের মাথাভাঙা-১ (এ) ব্লক সভাপতি মহেন্দ্রনাথ বর্মন বলেন, একুশের নির্বাচনে শীতলকুচি বিধানসভায় আমাদের ব্লকের সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে ভালো লিড পেয়েছিল বিজেপি। আমরা পঞ্চায়েত নির্বাচন ও লোকসভা নির্বাচনে কিছুটা মেরামত করেছি। প্রতিটি বুথ, পাড়ায় পাড়ায় সভা করে সরকারের জনমুখী প্রকল্পের কথা জানানো হয়েছে। মানুষ সরকারি সুবিধা পাওয়ায় খুশি। অপরদিকে, বিজেপি বিধায়ক এলাকায় কখনো আসেননি। এলাকার জন্য কোনো কাজও করেননি। মানুষ চাইছে এমন জনপ্রতিনিধি, যিনি সবসময় পাশে থাকবেন। আমরা মানুষের পাশে থেকে কাজ করছি। এবারে এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েত বড় ব্যবধানে তৃণমূল প্রার্থী এগিয়ে থাকবেন। 
অন্যদিকে, বিজেপির কোচবিহার জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ বলেন, তৃণমূল যতটুকু কাজ করেছে সবক্ষেত্রে অনিয়ম করেছে। এলাকার মানুষ সবটা জানে। আমরা এই সাতটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বিগত ভোটগুলিতে যত লিড পেয়েছি এবারে আরও বেশি ভোট পাব। আমাদের প্রতিটি বুথে ছোট ছোট সভা হচ্ছে। কর্মীরা এলাকায় জনসংযোগ করছেন। শীতলকুচিতে এবারেও আমাদের প্রার্থী জয়লাভ করবেন।

সম্পর্কিত সংবাদ