Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

নিভল আলো: মাঝপথে বাতিল ম্যাচ, তড়িঘড়ি মাঠ ছাড়লেন দর্শকরা, পয়েন্ট ভাগ পাঞ্জাব ও দিল্লির

উড়ে আসছে একের পর এক মিসাইল। বাজছে সাইরেন। বাতাসে বারুদের গন্ধ। পাক সেনাবাহিনীর হামলার মুখে দেশের একাধিক সীমান্ত রাজ্য।

নিভল আলো: মাঝপথে বাতিল ম্যাচ, তড়িঘড়ি মাঠ ছাড়লেন দর্শকরা, পয়েন্ট ভাগ পাঞ্জাব ও দিল্লির
  • ৯ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

ধরমশালা: উড়ে আসছে একের পর এক মিসাইল। বাজছে সাইরেন। বাতাসে বারুদের গন্ধ। পাক সেনাবাহিনীর হামলার মুখে দেশের একাধিক সীমান্ত রাজ্য। জম্মু ও কাশ্মীর, পাঞ্জাব, রাজস্থান— বিভিন্ন এলাকায় ধরা পড়েছে একই ছবি। টিভি’র পর্দায় তা দেখে অ্যাড্রিনালিন ক্ষরণ বাড়ছে দেশবাসীর। তখন শৈলশহর মজে আইপিএল জ্বরে। প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিংয়ের ব্যাটিং তাণ্ডবে ধরমশালা স্টেডিয়ামকে মনে হচ্ছিল অন্য ভূখণ্ড। কিন্তু যুদ্ধ যখন লাগে, তখন তো আর স্থান, কাল দেখে হামলা হয় না। শত্রুপক্ষের সফট টার্গেট হয়ে ওঠে ‘মাস গ্যাদারিং’। তাই জম্মু ও কাশ্মীরে পাক সেনার হামলার খবর সামনে আসতেই আচমকা আলো নিভে গেল ধরমশালা স্টেডিয়ামে। অল্প সময়ের মধ্যেই গোটা স্টেডিয়াম ব্ল্যাকআউট। কালবিলম্ব না করে গ্যালারি থেকে বেরিয়ে যান দর্শকরা। ক্রিকেটার, আম্পায়াররাও মাঠ ছাড়েন। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ধরমশালায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে ফ্লাডলাইট নিভে যাওয়ায় ম্যাচ পরিত্যক্তের সিদ্ধান্ত। খেলা বন্ধের সময় পাঞ্জাবের স্কোর ছিল ১০.১ ওভারে ১ উইকেটে ১২২। প্রথমে একটি বাতিস্তম্ভ নেভার পর অনেকেরই ধারণা ছিল, কোনও টেকনিক্যাল সমস্যা হচ্ছে। কিছুক্ষণের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। শেষ পর্যন্ত তা আর হয়নি। কয়েক মিনিটের মধ্যে পুরো গ্যালারিতে নেমে আসে নিকষ অন্ধকার। ফলে এক পয়েন্ট করে পেল দুই দল। তাতে সুবিধা হল পাঞ্জাব কিংসের। ১২ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১৬। আর সমসংখ্যক ম্যাচে দিল্লির ঝুলিতে ১৪ পয়েন্ট। সূত্রের খবর, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড চেষ্টা করছে বিশেষ ট্রেনে ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফ, আম্পায়ার, ধারাভাষ্যকার এবং আইপিএলের সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধরমশালা থেকে অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার।

Advertisement

প্রশ্ন উঠছে যুদ্ধের আবহে ধরমশালায় এই ম্যাচ আয়োজন করা কি খুবই জরুরি ছিল? কেনই বা কেন্দ্রীয় সরকার আইপিএল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিল না বিসিসিআইকে? অপারেশন সিন্দুর-এর পর পাকিস্তান যে প্রত্যাঘাতের চেষ্টা করবে, সেটা তো পরিষ্কার ছিলই। হিমাচল প্রদেশ হল সীমান্তবর্তী রাজ্য। তাই ধরমশালায় খেলা মানে নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি অনেক বেশি। ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব-মুম্বই ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আমেদাবাদে। তাহলে  যুদ্ধের আবহে শৈলশহর ধরমশালায় বৃহস্পতিবারের ম্যাচ আয়োজনের সবুজ সংকেত দেওয়া নিরাপত্তার দিক থেকে অনেক বড় ত্রুটি। তবে এই পরিস্থিতিতে অনেক বিদেশি ক্রিকেটারই দেশে ফেরার চেষ্টা করবেন। সেক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না’ও হতে পারে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ