বেঙ্গালুরু: ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ ওয়ান ডে সিরিজে রানের বন্যা দেখেছিল ক্রিকেট মহল। তা নিয়ে ক্ষোভ চাপা থাকেনি খোদ টিম ইন্ডিয়ার কোচ গৌতম গম্ভীরের। ঘুরিয়ে তিনি পিচ তৈরির কারিগরদের কাঠগড়ায় তুলেছিলেন। গম্ভীরের স্পষ্ট বক্তব্য ছিল, সাদা বলের ক্রিকেট শুধু ব্যাটারদের নয়, বোলারদের জন্যও ভাবা উচিত। দেখে মনে হচ্ছে, পিচ বানানো হয়েছে স্রেফ দর্শকদের আনন্দ দিতে। চার-ছক্কার ফুলঝুরি ছুটছে। তাতে দর্শকরা খুশি। কিন্তু একজন প্রাক্তন ক্রিকেটার হিসাবে এই ধরনের পিচকে সমর্থন করি না। বিশেষ করে তরুণ বোলারদের পক্ষে ব্যাপারটা খুবই চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়াচ্ছে। তাই ব্যাটিংয়ের সঙ্গে বোলিং সামঞ্জস্য রেখেই পিচ তৈরি করা উচিত।
গম্ভীর এত কিছু বলার পরেও অবশ্য ছবি বদলায়নি। টি-২০ সিরিজেও রানের বন্যা বইছে। তাতে নাভিঃশ্বাস উঠেছে ভারতীয় বোলারদের। গত ম্যাচে লজ্জার হারের পর সিরিজ এখন ২-২। শনিবার নির্ণায়ক লড়াই। টি-২০ ফরম্যাটে শাই হোপরা যেভাবে মারকাটারি ব্যাটিং করছেন, তাতে ভারতীয় বোলারদের কপালের ভাঁজ চওড়া হওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। তাই শনিবার মাঠে নামার আগে বোলারদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা করলেন বোলিং কোচ মর্নি মর্কেল। তিনি জানিয়েছেন, ‘টি-২০ সিরিজের প্রায় প্রত্যেক ম্যাচেই দুশোর উপর রান উঠেছে। বোঝাই যাচ্ছে, পিচ থেকে বোলাররা তেমন সুবিধা পাচ্ছে না। তাই বলে হতাশ হলে চলবে না। আমি প্রত্যেকদিন সকালে বোলারদের সঙ্গে মিটিংয়ে একটা কথাই বলি, পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেরাটা মেলে ধরতে হবে। পরিকল্পনা যে সব সময় সফল হবে, তা ভাবা ভুল। উদ্ভূত পরিস্থিতির সঙ্গে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারলে হাওয়া অনুকূলে আনা যাবে সহজেই।’
টি-২০ সিরিজে তুলনায় অনভিজ্ঞ বোলিং বিভাগ নিয়েই খেলছে ভারত। তার উপর অর্শদীপের চোট। সেই কারণেই ভুবির মতো বর্ষীয়ান পেসারকে দলে ফেরানো হয়েছে। তাঁর হাতে সুইং রয়েছে। তার চেয়েও বড়ো অস্ত্র ভুবির অভিজ্ঞতা। আর তা কাজে লাগিয়ে শুরুতে হোপকে থামানোই লক্ষ্য টিম ম্যানেজমেন্টের। তবে সেটা কতটা সফল হয়, তা সময় বলবে।



