সংবাদদাতা, লালবাগ: দাম্পত্য জীবনে বিবাহবার্ষিকী একটি বিশেষ দিন। অনেকেই আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে খাওয়াদাওয়া, হইহুল্লোড় করে দিনটি উদযাপন করেন। তবে সাগরদিঘির দম্পতি সঞ্জীব দাস ও তাঁর স্ত্রী ঝিমকি দাস আট বছর ধরে অন্য রকমভাবে এই দিনটি উদযাপন করে আসছেন। ১০ মার্চ, শুক্রবার তাঁরা নিজেদের বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাগরদিঘির চন্দনবাটি শিবমন্দির এলাকায় বৃক্ষরোপণ করেছেন। সেইসঙ্গে স্থানীয় শতাধিক পুরুষ-মহিলার হাতে তাঁরা চারাগাছ তুলে দেন। সাগরদিঘির এই দম্পতি জানিয়েছেন, বিশ্ব উষ্ণায়ন রুখতে সবুজ ফিরিয়ে আনার জন্য ও মানুষকে বৃক্ষরোপণে উৎসাহ দিতে তাঁরা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।
বৃক্ষরোপণ ও চারাগাছ বিতরণের পাশাপাশি আরও একটি প্রশংসনীয় কাজ করেন এই দম্পতি। তাঁরা এদিন সাগরদিঘির প্রত্যন্ত এলাকার ৭৫জন আদিবাসী শিশুকে একটি হোটেলে নিয়ে গিয়ে মধ্যাহ্নভোজন করান। সেই খাবারের মেনুতে ছিল বিরিয়ানি, চাটনি ও মিষ্টি।
এই সমস্ত কর্মসূচি আয়োজন করতে দাস দম্পতি পাশে পেয়েছিলেন মজিবর হোসেন, বিশ্বজিৎ সাহা, সুরজ শেখ, রাজ মল্লিক, কৌশিক ফুলমালিদের। সঞ্জীববাবু বলেন, পৃথিবীজুড়ে যথেচ্ছ হারে বৃক্ষনিধন চলছে। এই বৃক্ষনিধন এখন বিশ্বের উষ্ণায়নের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশ্ব উষ্ণায়ন মোকাবিলার প্রধান হাতিয়ার বৃক্ষরোপণ। সেকারণে আমরা আটবছর ধরে সাগরদিঘি ব্লকের বিভিন্ন প্রান্তে বৃক্ষরোপণ করে চলেছি। সেইসঙ্গে মানুষকে গাছ লাগাতে উৎসাহী করে তুলতে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে চারাগাছ বিতরণ করে আসছি। সঞ্জীববাবুর স্ত্রী বলেন, একজন মানুষ হিসেবে পৃথিবীর বুকে সবুজ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। •