Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

ইজরায়েলকে সমর্থন, সমালোচনার মুখে পুরস্কার জয়ী মারিয়া

ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তি ঘিরে শুরু হল বিতর্ক। সমালোচকদের অভিযোগ, ইজরায়েলের পক্ষ নিয়ে গাজায় বোমাবর্ষণকে সমর্থন জানিয়েছিলেন তিনি।

ইজরায়েলকে সমর্থন, সমালোচনার মুখে পুরস্কার জয়ী মারিয়া
  • ১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:১০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোর নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপ্তি ঘিরে শুরু হল বিতর্ক। সমালোচকদের অভিযোগ, ইজরায়েলের পক্ষ নিয়ে গাজায় বোমাবর্ষণকে সমর্থন জানিয়েছিলেন তিনি। শুধু তাই নয়, ভেনিজুয়ায়েলার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বিদেশি হস্তক্ষেপের দাবিও জানিয়েছিলেন। আর এরই মধ্যে চলতি বছরের শান্তি পুরস্কার নিয়ে অবশেষে সামনে এল ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই চালানো ভেনিজুয়েলার ‘লৌহ মানবী’কে আমি বহুবার সাহায্য করেছি। ট্রাম্প আরও বলেছেন, 

Advertisement

আমি কখনও বলিনি, শান্তি পুরস্কার আমাকে দাও। নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী নিজেই আমাকে ফোন করে বলেছেন, তিনি এই সম্মান আমাকেই উৎসর্গ করছেন। কারণ আমি সেই সম্মানের যোগ্য।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মারিয়ার নাম ঘোষণা হওয়ার পরই আসরে নেমে পড়েছেন তাঁর সমালোচকেরা। ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেত্রীর পুরনো পোস্ট শেয়ার করে তাঁদের অভিযোগ, ইজরায়েল ও বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দলকে সমর্থন জানিয়েছেন মরিয়া। অর্থাৎ তিনি গাজায় ইজরায়েলের ‘গণহত্যার’ সমর্থক। ঘটনাচক্রে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার ঘটনার পর তিনি ইজরায়েলের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলেন ঠিকই। এটাও ঠিক, ইজরায়েলের প্রতি মারিয়ার সহনুভূতি বহু বছর ধরে বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। যেমন একটি পোস্টে তিনি ভেনিজুয়েলার সংগ্রামকে ইজরায়েলের সংগ্রামের সঙ্গে এক করে দেখিয়েছিলেন। সেই পোস্টের দু’বছর পরে মারিয়ার আরও একটি লেখা সামনে আসে। সেখানে তাঁর বক্তব্য ছিল, ইজরায়েলের হল স্বাধীনতার উপযুক্ত শরিক। এমনকী ক্ষমতায় এলে ভেনিজুয়েলার দূতাবাস তেল আভিভ থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন।
ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতা থেকে সরাতে বিদেশি হস্তক্ষেপের দাবি তোলার কারণেও সমালোচকরা নিশানা বানাচ্ছেন মারিয়াকে। এক্ষেত্রে তাঁদের অস্ত্র ২০১৮ সালে মারিয়ার লেখা একটি চিঠি। সেখানে ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেত্রী দেশে সরকার পরিবর্তনের জন্য ইজরায়েল ও আর্জেন্তিনার সাহায্য চেয়েছিলেন।  -ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ