জলপাইগুড়ি-দুর্গাপুর-কাটোয়া, নিজস্ব প্রতিনিধি: জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলা নিয়ে শোরগোল গোটা দেশে। মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ২৬ জনের। সেই তালিকায় রয়েছেন তিন বঙ্গ সন্তানও। তবে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। নেহাতই বরাতজোরে বুলেট থেকে রক্ষা পেয়েছে বহু পরিবার। কারও পহেলগাঁও পৌঁছতে দেরি হয়েছিল। আবার কেউ টিফিন সারতে ঢুকেছিলেন খাবারের দোকানে। ফলে কার্যত তাঁদের কান ঘেঁষে বেরিয়ে গিয়েছে মৃত্যু।
জলপাইগুড়ির মিত্র পরিবারও রয়েছে এই তালিকাতেই। জলপাইগুড়ির দেশবন্ধু পাড়ার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ মিত্র, তাঁর স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে সেই সময় ছিলেন ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫ কিমি দূরে। একটি হোটেলে খাওয়াদাওয়া করছিলেন তাঁরা। এরপরেই বৈসরণ ভ্যালিতে যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। কিন্তু তারমধ্যেই ঘটে যায় হামলা। প্রাণে বাঁচে মিত্র পরিবার।
একই অবস্থা দুর্গাপুরের পাঁচ সদস্যের পর্যটকদেরও। তাঁরাও পহেলগাঁও ঢুকতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু শপিং করতে দেরি হয়ে যাওয়াতে পহেলগাঁও পৌঁছতে দেরি করে ফেলেন তাঁরা। ফলে রক্ষা পান তাঁরা।
অন্যদিকে, কাশ্মীরের রামবন এলাকায় ব্যপক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বেঁচে গিয়েছে কাটোয়ার প্রামাণিক পরিবার। বৈষ্ণদেবী মাতা মন্দির দর্শন করে মঙ্গলবার গাড়ি করে পহেলগাঁও ফিরছিল ওই পরিবার। কিন্তু, রামবন এলাকায় আসতেই ব্যাপক প্রাকৃতিক বিপর্যয় শুরু হয়। পর্যটকদের গাড়ি ঘুরিয়ে পহেলগাঁও এড়িয়ে যান কাশ্মীরের গাড়ির চালক। ফলে বুলেট থেকে রক্ষা পান তাঁরাও।