Bartaman Logo
৫ জুলাই, ২০২৬

মণিকর্ণিকা কাণ্ড: আপ সাংসদ সহ ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

মণিকর্ণিকা ঘাটের সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠল। সংস্কারের সময় ঘাটের কাঠামো এবং রানি অহল্যাবাঈ হোলকারের শতাব্দী প্রাচীন মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে যোগী সরকারের বিরুদ্ধে।

মণিকর্ণিকা কাণ্ড: আপ সাংসদ সহ  ৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের
  • ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লখনউ: বারাণসীর মণিকর্ণিকা ঘাটের সংস্কার নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে উঠল। সংস্কারের সময় ঘাটের কাঠামো এবং রানি অহল্যাবাঈ হোলকারের শতাব্দী প্রাচীন মূর্তি ভাঙার অভিযোগ উঠেছে যোগী সরকারের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে একাধিক ছবি। তবে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে যোগী সরকার। উলটে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘এআই’ ছবি ব্যবহারের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন আপ সাংসদ সঞ্জয় সিং, নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব এবং কংগ্রেস নেত্রী যশবীন্দর কাউর। পুলিশের ডেপুটি কমিশনার গৌরব বনশল এক্স হ্যান্ডলে জানিয়েছেন, ‘ভুয়ো এবং বিকৃত তথ্য প্রকাশের অভিযোগে আটজনের বিরুদ্ধে আটটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।’ এসিপি অতুল অঞ্জন ত্রিপাঠি বলেন, ‘তদন্তে মনিকর্ণিকা ঘাটের এআই দিয়ে তৈরি বিকৃত ভিডিও পোস্টের প্রমাণ মিলেছে। এআই ছবিও দেদার ছড়ানো হয়েছে।’ এফআইআর প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, ‘সর্বত্র এই নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরব হতেই আমাকে টার্গেট করা হচ্ছে। তবে আমি এতে ভীত নই।’

Advertisement

হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগের সঙ্গেই জড়িত মণিকর্ণিকা ঘাট। অনেকেই এই ঘাটকে সবথেকে পবিত্র বলে থাকেন। ধর্মীয় বিশ্বাস মতে, এই ঘাটে দাহ করলে ‘মোক্ষ’ ঘটে। জন্ম-মৃত্যুর চক্র থেকে মুক্তি ঘটে ওই ব্যক্তির। এই ঘাট ঘিরে রয়েছে নানা ধর্মীয় গাথা। এহেন ঘাটের সংস্কার শুরু হতেই বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তবে সমস্ত বিতর্ক উড়িয়ে দিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। শনিবার তাঁর দাবি ‘মিথ্যা প্রচার চালানো হচ্ছে।’ বাইরে থেকে ভাঙা মূর্তি এনে সেই ছবি প্রচার করছে কেউ কেউ। কাশী বিশ্বনাথ করিডর তৈরির সময়ও একইরকম মিথ্যা প্রচার চালানো হয়েছিল। তাঁর সাফাই, বর্ষার সময় নদীর জলে ঘাট ভরে যায়। তাতে দাহ কাজে বিরূপ প্রভাব পড়ে। দাহ কাজ যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়, তার জন্যই এই সংস্কার কাজ। যোগীর দাবি, এআই ছবি বানিয়ে মিথ্যা প্রচার সফল হবে না। তবে যোগী যতই এআই ছবির দাবি করুন, থামানা যাচ্ছে না স্থানীয়দের। পাল সমাজ সমিতির পক্ষ থেকে রবিবারও বিক্ষোভ দেখানো হয়। এই অবস্থায় সংস্কারের বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দুষেছে কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘কেবল তাঁর নাম ফলক বসাতে ঐতিহাসিক গুরুত্ব মুছে ফেলতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ