নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ঘূর্ণিঝড় ‘মন-থা’ মঙ্গলবার রাতে উপকূল অতিক্রম করে স্থলভূমিতে ঢুকে পড়ার পর যথারীতি দুর্বল হতে শুরু করেছে। তবে তা সত্ত্বেও এর প্রভাবে রাজ্যে বৃষ্টির অনুকূল পরিস্থিতি আগামী শনিবার ১ নভেম্বর পর্যন্ত থাকবে বলে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন। ২ নভেম্বর থেকে আবহাওয়া পুরোপুরি পরিষ্কার হওয়ার আশা আছে বলে আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা হবিবুর রহমান বিশ্বাস বুধবার জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির মাত্রা বাড়বে। শুক্রবার উত্তররঙ্গের হিমালয় লাগোয়া ৫টি জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির আশঙ্কা থাকার জন্য ‘কমলা’ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শনিবার উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। অন্যদিকে, আজ বৃহস্পতিবার কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। ভারী বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ জেলাব কোনও কোনও এলাকায়। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের বৃষ্টি কিছুটা কমতে পারে। তবে ওইদিনও বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে দুই বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া জেলায় বৃষ্টি হতে পারে। ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলার কোনও কোনও এলাকায়। তবে শনিবার পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গেও সাধারণভাবে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় কৃষিদপ্তর এদিন চাষিদের জন্য বিশেষ পরামর্শ বার্তা ইশ্যু করেছে। বৃষ্টি না কমে যাওয়া পর্যন্ত আপাতত পাকা ধান না তোলা, আলু, সর্ষে, ডাল শস্যের চাষ শুরু না করাসহ বেশকিছু পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



