নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়িতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সমীর মণ্ডল (৪৫)। তাঁর বাড়ি শহরের কিং সাহেবের ঘাট এলাকায়।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়িতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য। মৃতের নাম সমীর মণ্ডল (৪৫)। তাঁর বাড়ি শহরের কিং সাহেবের ঘাট এলাকায়।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় রথের মেলা থেকে খেলনা কিনে সাত মাসের নাতিকে দিতে গিয়েছিলেন সমীর। কিন্তু আর বাড়ি ফেরেননি। রাতে সমীরের মোবাইল থেকে একজন ফোন করে বাড়িতে খবর দেন, ওই যুবক জলপাইগুড়ি শহরের সেনপাড়ায় পড়ে রয়েছেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন সমীরের মা অনিমা মণ্ডল। মারাত্মক জখম অবস্থায় ছেলেকে উদ্ধার করেন তিনি। এরপর টোটো করে জলপাইগুড়ি মেডিক্যালের অধীন সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় সমীরকে। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
মৃতের দাদা তাপস মণ্ডল জলপাইগুড়ি জেলা পুলিসের গাড়ি চালান। তাঁর অভিযোগ, “ভাইকে পিটিয়ে মারা হয়েছে। এ ব্যাপারে আমরা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করব।” জেলার অতিরিক্ত পুলিস সুপার শৌভনিক মুখোপাধ্যায় বলেন, “ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।”
অন্যদিকে, সমীর ড্রাগ প্যাডলার ছিল বলে অভিযোগ। সে নিজেও নেশা করত। এর আগে মাদক মামলায় তাকে পুলিস গ্রেপ্তারও করেছিল বলে অভিযোগ। মাদক লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদের জেরে তাকে পিটিয়ে মারা হতে পারে বলেও মনে করছে অনেকে। যদিও মৃতের দাদা তাপসের দাবি, “ভাই লটারির টিকিট বিক্রি করত। নেশা করত এটা ঠিক। তবে মাদক বিক্রির সঙ্গে ভাই জড়িত ছিল বলে আমার জানা নেই।”