Bartaman Logo
১০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

মমতা ‘বেইমান’! কুণালের দীর্ঘ চিঠি প্রকাশ ঋতব্রতর

কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৯১ পাতার চিঠি প্রকাশ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম জড়িয়ে অভিযোগ। বিস্তারিত পড়ুন।

মমতা ‘বেইমান’! কুণালের দীর্ঘ চিঠি প্রকাশ ঋতব্রতর
  • ১০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: তৃণমূলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা ১০ বছর আগেই করেছেন তৎকালীন সাংসদ কুণাল ঘোষ। এমনই অভিযোগে ৯১ পাতার একটি চিঠি সামনে আনলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লকের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। পাল্টা জবাব দিয়ে ঋতব্রতকে আক্রমণ করেন কুণালও।

Advertisement

গত কয়েকদিন ধরেই তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল আরও বেড়ে গিয়েছে। যাতে ঘৃতাহুতি পড়ে বৃহস্পতিবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি চিঠি সংক্রান্ত বিষয়ে। কুণালের নাম না করে তাঁকে আক্রমণ করেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, জেলে থাকাকালীন তৎকালীন সাংসদ একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন সেই সময়কার প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও সিবিআই ডিরেক্টরকে। ওই চিঠিটি তৃণমূল দলটিকে তুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। তৃণমূলকে ক্ষতি করার সলতে পাকানো সেই সময়ই শুরু হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করে চিটফান্ড দুর্নীতির কথা ওই চিঠিতে লেখা আছে। ৩০ কোটি টাকা কোথায় রাখা আছে, ওই চিঠিতে তারও উল্লেখ রয়েছে। পাশাপাশি ঋতব্রতর সংযোজন, তৃণমূল নেত্রী ওই চিঠিটি পড়ুন। চিঠিটি আপনার কাছে না থাকলে জানাবেন, আমরা ১৫ দিনের মধ্যে পাঠিয়ে দেব। ওই চিঠি পড়লে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পারবেন দল তুলে দেওয়ার জন্য বেইমানিটা আসলে কে করেছেন। 
পাল্টা জবাবে কুণাল ঘোষ বলেন, আমার ওই চিঠি এতদিনে নিশ্চয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পড়ে ফেলেছেন। তারপরও আমি তৃণমূল ছেড়ে যাইনি। দলকে নিয়মিত চাঁদা পর্যন্ত দিয়ে গিয়েছি। কিন্তু ঋতব্রতর মতো নানা দলে ঘুরে ঘুরে রাজনীতি করিনি বা দলের সঙ্গে বেইমানি করিনি।
এদিকে তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লক ঋতব্রত শিবির আজ, শুক্রবার কর্ম সমিতির বৈঠক ডেকেছে। কসবার একটি অভিজাত ক্লাবে এই বৈঠক হবে বিকেলে। আগামী কাল প্লেনারি সেশন বা বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার তৃণমূল কর্মীদের আসার কথা সেখানে। পরবর্তী রণকৌশল নিয়ে আলোচনা হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ