Bartaman Logo
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা মমতার, আজ বৈঠকে ঋতব্রতরা, দু’পক্ষের চূড়ান্ত নথি পেশের শেষদিন ১৬ই: কমিশন

‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক কার? এই প্রশ্নের সমাধান হওয়ার আগেই দুই বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা মমতার, আজ বৈঠকে ঋতব্রতরা, দু’পক্ষের চূড়ান্ত নথি পেশের শেষদিন ১৬ই: কমিশন
  • ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও নয়াদিল্লি: ‘ঘাসের উপর জোড়াফুল’ প্রতীক কার? এই প্রশ্নের সমাধান হওয়ার আগেই দুই বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার মমতার তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূল প্রার্থী—নন্দীগ্রামে সঞ্চিতা প্রধান দে এবং রেজিনগরে রবিউল আলম চৌধুরী। মমতার তরফে প্রার্থী সামনে আসার পরই পালটা সুর চড়িয়েছে তৃণমূলের ঋতব্রত শিবির। বিধায়ক আখরুজ্জামান বলেন, মমতা একতরফা সিদ্ধান্ত নেন। এই উপনির্বাচনে ফের তা প্রমাণিত হল। কিন্তু প্রার্থীর নাম বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব আলোচনা করেই। আজ, সোমবার বিকালে তৃণমূল ভবনে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানেই প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত হবে।

Advertisement

উপনির্বাচন ৬ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র পেশের শেষদিন ১৬ সেপ্টেম্বর, বুধবার। মনোনয়নপত্র পরীক্ষা পরদিন। তৃণমূলের কোন শিবির শেষমেশ জোড়াফুল প্রতীক পায়, রাজনৈতিক মহলের কৌতূহল তা নিয়েই।  এই সিম্বল কমিশন ‘ফ্রিজ’ করে দেয় কি না, জানার আগ্রহ সেই বিষয়েও। তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, মমতা ও ঋতব্রতকে চিঠি পাঠিয়েছে কমিশন। সেখানে কমিশনের তরফে দুপক্ষকেই স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত কোনো কাগজপত্র থাকলে সেসব ১৬ সেপ্টম্বর বিকাল ৩টার মধ্যে জমা দিতে হবে। ঋতব্রত বলেছেন, কমিশন প্রয়োজনে ১৭ তারিখ দিল্লিতে ডাকতে পারে বলে জানিয়েছে। তবে তা বৈঠকের জন্য কি না, সেই সিদ্ধান্ত কমিশনই নেবে। যদিও মমতাপন্থী তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে লিখেছেন, কমিশন আমাদের ১৬ ও ১৭ তারিখ ডেকেছে।
এই প্রেক্ষাপটেই এদিন কমিশনে পাঁচটি নথি জমা দিয়েছেন মমতাপন্থী ডেরেক ও’ব্রায়েন। দলের সংবিধান, পাঁচবছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচনের নথি, নির্বাচন কমিশনে আগে জমা দেওয়া তথ্য এবং আগের চিঠি কমিশনে দিয়েছেন তিনি। মমতাপন্থীদের তরফে উল্লেখ করা হয়েছে, দলীয় সংবিধান অনুযায়ী এখনো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই দলের সর্বভারতীয় চেয়ারপার্সন। দলীয় সংবিধান পার্টির ওয়েবসাইটে দেওয়া রয়েছে। ডেরেক বলেন, রক্তঘাম ঝরিয়ে ২৮ বছর আগে দল তৈরি করেছিলেন মমতা। তার যাবতীয় তথ্য ও নথি রয়েছে। তাই কয়েকজন ভুঁইফোড় লোক তৃণমূলকে শেষ করতে পারবে না। মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি ১৭ সেপ্টম্বর। কমিশন তার মধ্যে প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত জানালে বিষয়টি খোলসা হয়ে যাবে। অন্যথায় উপনির্বাচনে কোন শিবিরের প্রার্থীরা ‘তৃণমূল’ হিসাবে মান্যতা পাবেন, সেই প্রশ্নটি থেকেই যাচ্ছে। অন্যদিকে, অসমের নওগাঁ লোকসভা আসনের উপনির্বাচনেও প্রার্থী দিয়েছেন মমতা। সেখানে মমতা তৃণমূল প্রার্থী আবদুল সালাম।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ