Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬

জ্যোতিরাও ফুলের জন্ম দ্বিশতবর্ষ কমিটিতে ঠাঁই নেই মমতা-রাহুলের

সমাজ সংস্কারক জ্যোতিরাও ফুলের জন্ম দ্বি-শতবার্ষিকী আগামী বছর। ১৮২৭ সালের ১১ এপ্রিল মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ছু্ঁৎমার্গ এবং জাতিভেদের বিরুদ্ধেই ছিল তাঁর জেহাদ।

জ্যোতিরাও ফুলের জন্ম দ্বিশতবর্ষ কমিটিতে ঠাঁই নেই মমতা-রাহুলের
  • ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৪
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: সমাজ সংস্কারক জ্যোতিরাও ফুলের জন্ম দ্বি-শতবার্ষিকী আগামী বছর। ১৮২৭ সালের ১১ এপ্রিল মহারাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। ছু্ঁৎমার্গ এবং জাতিভেদের বিরুদ্ধেই ছিল তাঁর জেহাদ। তাঁর স্ত্রী সাবিত্রীবাঈ ফুলেও স্বনামধন্য নারী শিক্ষার উন্নয়নে। সেই জ্যোতিরাও ফুলের (যাঁকে অনেকেই জ্যোতিবা ফুলেও বলেন) ২০০ বছরের জন্মদিন দেশজুড়ে পালনের কর্মসূচি নিয়েছে মোদি সরকার। চলতি বছর থেকে ২০২৮, দু বছর ধরে হবে নানা কর্মকাণ্ড। তাঁর জন্য গড়া হল ১২৬ সদস্যের বিশেষ কমিটি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওই কমিটির চেয়ারম্যান। তবে জাম্বো এই কমিটিতে রাখা হয়নি লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে। নেই রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা তথা কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গেও। উচ্চ পর্যায়ের এই কেন্দ্রীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। এমনকি তৃণমূলের কোনো সাংসদকেও রাখা হয়নি। 

Advertisement

অথচ রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মায়াবতী, তেলেঙ্গানার বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি, কর্ণাটকের সীতারামাইয়া, পাঞ্জাবের ভগবন্ত মান, ঝাড়খণ্ডের হেমন্ত সোরনকে ওই কমিটিতে রাখা হয়েছে। এমনকী মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার, রাজ্যের মন্ত্রী ছগন ভুজবল, বিধায়ক যোগেশ তিলেকর, মহারাষ্ট্রের রাজ্যপাল জিষ্ণুদেব ভার্মাও রয়েছেন। প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রতিভা পাতিল, রামনাথ কোবিন্দও এই উচ্চ পর্যায়ের কমিটির সদস্য। তাই প্রশ্ন উঠছে, সরকারি খরচে, সরকারি কর্মকাণ্ড ঠিক করার এই উচ্চ পর্যায়ের কমিটি কি আদৌ সমাজ সংস্কারক জ্যোতিরাও ফুলের আদর্শকে অনুসরণ করছে? নাকি মোদি সরকার বজায় রাখছে রাজনৈতিক ছু্ৎমার্গ? 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ