সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহ শহরের কিশলয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো বেহাল। প্রাক প্রাথমিক, প্রথম এবং দ্বিতীয় শ্রেণির খুদে পড়ুয়ারা মাটিতে মাদুর পেতে পড়াশোনা করে। দ্বিতীয় শ্রেণির বারান্দায় ক্লাস হয়। স্কুলের বারান্দায় মিড ডে মিল রান্না হয়। বারান্দাতেই বসিয়ে খাবার দেওয়া হয়। আলাদা করে রান্নাঘর এবং বসার শেড নেই। এনিয়ে এলাকায় অসন্তোষ ছড়িয়েছে।
দু’জন শিক্ষক নির্ধারিত সময়েই স্কুলে পৌঁছন। তবে এদিন বাকি দু’জন শিক্ষিকার বিরুদ্ধেও দেরিতে আসার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ, একজন স্কুলে আসেন ১১টা বেজে ১৭ মিনিটে। অন্য শিক্ষিকাকে ১১টা বেজে ৪০ মিনিটেও স্কুলে দেখা যায়নি।
পরে ওই শিক্ষিকা অবশ্য স্কুলে এসেছিলেন। প্রধান শিক্ষক ছুটিতে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে ততক্ষণে পড়ুয়াদের নাম সইয়ের কাজ হয়ে গিয়েছে। স্কুল খোলার মুহূর্তে উপস্থিত দু’জন শিক্ষকের একসঙ্গে পাঁচটি ক্লাসের নাম সই এবং স্কুল পরিচালনা করতে হিমশিম খেতে হয়।
স্কুল এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্কুলটি প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৬৯ সালে। পাঁচ জন শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছেন। বর্তমানে স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৬০ জন।
স্থানীয় বাসিন্দা প্রাক্তন কাউন্সিলার মাজিফুল ইসলাম বলেন, আমরা আগে ওই ওয়ার্ডে দায়িত্বে ছিলাম। তখন ভিজিটে যেতাম। তখন ভালো ছিল।
স্কুলে মাঝেমধ্যে কিছু জন দেরি করে আসেন। কেউ আবার টাইমে আসেন। বর্তমান কাউন্সিলারের নজরদারির দরকার রয়েছে।
৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার জান্নাতুন নেসা বলেন, ভালো স্কুল চলে। কোনও কারণে শিক্ষিকাদের দেরি হতে পারে। স্কুলে আমরা যাই। সমস্যাগুলি খতিয়ে দেখা হবে।
এদিনের স্কুলের টিচার ইনচার্জ নৃভাস্কর ঘোষ বলেন, যানজটের জন্য এক শিক্ষকার দেরি হয়েছে। আরও এক শিক্ষিকা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন স্কুলে পরিকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। মালদহ সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ভরত ঘোষ বলেন, প্রধান শিক্ষক ছুটি নিয়েছেন। বাকি বিষয়গুলি খোঁজ নিয়ে খতিয়ে দেখা হবে।