Bartaman Logo
১৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর লক্ষ্য, দু’মাসেই প্রয়োজনীয় জমির ৮৩ শতাংশ বিএসএফকে হস্তান্তর মালদহ প্রশাসনের

মালদহে বিএসএফকে কাঁটাতার বসানোর জন্য ৮৩ শতাংশ জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাড়াতে এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। বিস্তারিত পড়ুন।

সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর লক্ষ্য, দু’মাসেই প্রয়োজনীয় জমির ৮৩ শতাংশ বিএসএফকে হস্তান্তর মালদহ প্রশাসনের
  • ১৭ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মালদহ: রাজ্য সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর কাঁটাতারের বেড়া বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি বিএসএফকে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি ঘটেছে বিগত দু’মাসে। মালদহ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার এবিষয়ে জেলাশাসক রাজনভীর সিং কাপুরের সভাপতিত্বে বিএসএফের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের পরেই কাঁটাতার বসানোর জন্য প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর সংক্রান্ত বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মালদহে প্রায় ১৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকা বরাবর রয়েছে আন্তর্জাতিক সীমান্ত। এই সীমান্তের বেশ খানিকটা অংশ দীর্ঘদিন ধরে কাঁটাতার বিহীন অবস্থায় রয়েছে। ফলে অবাধে চলত অনুপ্রবেশ, গবাদিপশু এবং মাদক পাচার।  মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণের পর প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন তাঁর সরকার দ্রুততার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া বসানোর জন্য বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি হস্তান্তর করবে। এরপরই শুরু হয়ে যায় জমি হস্তান্তরের কাজ।

Advertisement

এদিন মালদহের জেলাশাসক রাজনভীর সিং কাপুর বলেন, বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর কাঁটাতার বসানোর  জন্য মোট ২৫৯.০০৬ একর জমি বিএসএফকে হস্তান্তর করার প্রয়োজন ছিল। এর মধ্যে ১৮২.০৪ একর জমি ইতিমধ্যেই হস্তান্তরিত হয়ে গিয়েছে। বিএসএফের নামে ওই জমির রেজিস্ট্রেশনও হয়ে গিয়েছে। আরও ৩৪.০৯ একর জমি কিনে নিয়ে বিএসএফের হাতে তুলে দিয়েছে মালদহ জেলা প্রশাসন। তবে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। সব মিলিয়ে মালদহ জেলা প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত মোট ২১৬.১৩ একর জমি বিএসএফকে দেওয়া হয়ে গিয়েছে। পরিমাণের বিচারে যা ৮৩ শতাংশেরও বেশি।  ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে পর্যন্ত মাত্র ৯ একর জমি বিএসএফকে মালদহে হস্তান্তর করা হয়েছিল বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিনের বৈঠকে জেলা প্রশাসন, বিএসএফ, পুলিশ এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে দৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলার ওপরেও জোর দেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক বলেন, বর্ডার এলাকার ম্যানেজমেন্ট এবং উন্নতি গুরুত্বের সঙ্গে ত্বরান্বিত করাই এই মুহূর্তে মালদহ জেলা প্রশাসনের অগ্রাধিকার।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ