Bartaman Logo
৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বন্ধ বড়ো নির্মাণ, বিল্ডিং খাতে কমল ৩০ কোটি রাজস্ব আদায়

কলকাতাসহ ১৩টি পুর এলাকায় নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ের ‘সেফটি অডিট’ চলছে। সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং ছ’তলা বা তার বেশি উচ্চতার সমস্ত রেসিডেন্সিয়াল নির্মাণ এই অডিটের আওতাভুক্ত।

বন্ধ বড়ো নির্মাণ, বিল্ডিং খাতে কমল ৩০ কোটি রাজস্ব আদায়
  • ৪ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতাসহ ১৩টি পুর এলাকায় নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ের ‘সেফটি অডিট’ চলছে। সমস্ত ধরনের বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং ছ’তলা বা তার বেশি উচ্চতার সমস্ত রেসিডেন্সিয়াল নির্মাণ এই অডিটের আওতাভুক্ত। ফলে কলকাতায় বন্ধ বড়ো বড়ো নির্মাণকাজ। মিউনিসিপ্যাল বিল্ডিং কমিটির (এমবিসি) বৈঠক না হওয়ায় নতুন নির্মাণের অনুমোদনও মিলছে না। কলকাতা পুরসভা সূত্রে খবর, এই অবস্থায় বিল্ডিং খাতে রাজস্ব আদায় ভালোরকম ধাক্কা খেয়েছে। গত অর্থবর্ষে এই সময়কালে (জুলাইয়ের শেষ পর্যন্ত) যত টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল, তার চেয়ে অন্তত ৩০ কোটি টাকা কম আদায় হয়েছে এবার। গত অর্থবর্ষে (২০২৫-২৬) বিল্ডিং বিভাগ প্রায় ৪১১ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছিল। জুলাইয়ের শেষেই উঠে এসেছিল প্রায় ১১০ কোটি টাকা। চলতি অর্থবর্ষে এই সময়কালে আদায় হয়েছে মাত্র ৮০ কোটি। 

Advertisement

তারাতলায় গোডাউন বিপর্যয়ের পর এই অডিটের কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তারপর প্রায় দু’মাস অতিক্রান্ত। এমবিসির বৈঠকও করা যায়নি। ফলে নতুন কোনো বড়ো নির্মাণে ছাড়পত্র দেওয়া যাচ্ছে না। পুরসভা সূত্রে খবর, বিল্ডিং বিভাগ বাড়ির প্ল্যানে অনুমোদন দিয়ে যে আয় করে, তার বেশিরভাগটাই আসে এমবিসি থেকে। বড়ো বড়ো নির্মাণের অনুমোদন দেয় এই কমিটি। প্রতি মাসে এমবিসিতে ২০ থেকে ২৫টি বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন পায়। সেখানে গত দু’মাস ধরে এমবিসির কোনো বৈঠক না হওয়ায় রাজস্ব আদায় মার খাচ্ছে। আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, সব ধরনের নন-রেসিডেন্সিয়াল (বাণিজ্যিক নির্মাণ, স্কুল, কলেজ ইত্যাদি) বিল্ডিংয়ের প্ল্যান অনুমোদনের জন্য এমবিসির অনুমোদন লাগে। সাত কাঠা বা তার বেশি আয়তনের জমি কিংবা ৫০০ বর্গমিটার বা তার বেশি আয়তনের রেসিডেন্সিয়াল নির্মাণেও এমবিসিতে প্ল্যান অনুমোদন করাতে হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ