


নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: ফের তীর্যক মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন কৃষ্ণনগর লোকসভার সাংসদ মহুয়া মৈত্র। সম্প্রতি নদীয়া জেলার করিমপুর-২ ব্লকের একটি পথসভা সারা বছর তৃণমূলী আর ভোটের সময় সনাতনী, মতুয়া ও এসসি সম্প্রদায়ভুক্ত মানুষদের নিয়ে থেকে এমনই মন্তব্য করেন তিনি। ওই বক্তব্যের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। যদিও ওই ভিডিওর সত্যতা ‘বর্তমান’ পত্রিকা যাচাই করেনি।
ওই পথসভা থেকে সাংসদ বলেন, আমরা এক হাজার টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেলে, এসসি মহিলারা ১২০০ টাকা করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পান। অথচ এসসি, নমঃশূদ্র, মতুয়া বুথে ১০০টি ভোট পড়লেও ৮৫টি ভোট পায় বিজেপি। আর বাকি ১৫টি পায় অন্যান্যরা। কাজের সময় মমতা, রাস্তার সময় মমতা। কাঠের মালা পড়ে ভাতা নিতে চলে আসেন। তখন কী হয়! সাংসদের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্কে দেখা গিয়েছে।
সম্প্রতি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মুণ্ড কেটে নেওয়ার কথা বলেও বিতর্কে জড়িয়েছিলেন কৃষ্ণনগর সাংসদ। যা নিয়ে কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করা হয় বিজেপির তরফ থেকে। এক সরকারি অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সাংসদ বলেছিলেন, ভারতের সীমান্ত রক্ষা করার যদি কেউ না থাকে, যদিও অন্য দেশের মানুষ আমাদের জায়গা ভরে যাচ্ছে, তাঁরা আমাদের জমি কেড়ে নিচ্ছে, তার জন্য প্রথমেই অমিত শাহের মাথা কেটে টেবিলে দেওয়া উচিত। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সীমান্তকে রক্ষা করতে পারে না। তাহলে দোষটা কার?’
যা নিয়ে পরবর্তীতে মহুয়াদেবী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান, যত দিন না তোমরা সুকুমার রায়কে পড়বে এবং তাঁর প্রশংসা করবে, তত দিন তোমরা বাংলা জিততে পারবে না। বিজেপিকে কটাক্ষ করে সাংসদ বলেন, মাথা কাটা নিয়ে নাচানাচি করছেন, অথচ বাংলা সাহিত্যের এতটুকু জানেন না। সুকুমার রায়ের কবিতা পড়লে বুঝতেন মাথা কাটা কাকে বলে।