সংবাদদাতা, বজবজ: সাড়ে তিনশো শয্যাবিশিষ্ট কস্তুরি দাস সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের দায়িত্ব এবার রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিতে চাইছে মহেশতলা পুরসভা। সরকারি জমিতে পুরসভার টাকায় তৈরি হয়েছে এই হাসপাতালটি। একই ইচ্ছা স্থানীয় বিধায়ক শুভাশিস দাসেরও। এনিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কাছে চিঠিও দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল বৈঠকে এনিয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সরকার এই হাসপাতালটির দায়িত্ব নিলে মহেশতলা, বজবজ, পুজালি, গার্ডেনরিচ, চট্টা থেকে আশুতি– এই বিরাট অঞ্চলের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ লক্ষ সাধারণ মানুষ ভালো চিকিৎসার সুযোগ পাবে। মহেশতলা পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে, মোল্লার গেটের গভর্নমেন্ট কলোনির ভিতর, উদ্বাস্তু পুনর্বাসন দপ্তরের প্রায় আট বিঘা জমিতে এই হাসপাতাল তৈরি হয়েছে। আগের কংগ্রেস সরকারের সময় থেকে এই জায়গায় হাসপাতাল তৈরির ভাবনা ছিল। পরবর্তী সময়ে বামফ্রন্ট ক্ষমতায় এলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। তারপরে তৃণমূলের আমলে মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান ও বিধায়ক হিসাবে দুলাল দাস এটি তৈরি করতে এগিয়ে আসেন। পুরসভার টাকায় চারতলার এই বিশাল হাসপাতাল তৈরি হয়। দুলালবাবু নিজেই বলেছেন, পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দু’ দফায় এই হাসপাতাল টেকওভার করতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি গুরুত্ব দেননি। কিন্তু হাসপাতাল ফেলে রাখি কী করে! তাই বাধ্য হয়ে একটি বেসরকারি সংস্থাকে ৩০ বছরের চুক্তিতে তা চালাতে দেওয়া হয়েছে। এখন যদি নতুন সরকার এটা গ্রহণ করে, তাতে খুবই ভাল হবে। কারণ, হাসপাতালের ভিতর এখনও অনেকটা খালি জমি রয়েছে। সরকার তা কাজে লাগাতে পারবে। বিজেপি-র মহেশতলা বিধানসভার আহ্বায়ক অসিত বাগ বলেন, এটা ভাল উদ্যোগ। অনেকদিন ধরেই এই দাবি জানিয়ে আসছিল বিজেপিও।



