তারাপীঠে হবে ‘মহাশক্তি সঙ্গম’, সূচনা ৬ নভেম্বর
  • ২৭ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: আগামী ৬ নভেম্বর তারাপীঠ মন্দির প্রাঙ্গণে হতে চলেছে বিশেষ আয়োজন ‘মহাশক্তি সঙ্গম’। তারা মাতা সেবায়েত সংঘ এবং মল্লারপুর রায়বাড়ির জগন্নাথ রায় পরিবারের যৌথ উদ্যোগে এই মহতী অনুষ্ঠানের রূপরেখা তৈরি হয়েছে। সোমবার এমনটাই জানান মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায়। 

Advertisement

এই সঙ্গম অনুষ্ঠানের মূল ভাবনা- ‘ভবিষ্যতের জন্য ঐতিহ্য’। আয়োজকদের মূল উদ্দেশ্য, প্রায় ৩০০ বছরের প্রাচীন এই পবিত্র ধামের ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ অক্ষুণ্ণ রেখে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুশৃঙ্খল, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক তারাপীঠ গড়ে তোলা।
মন্দির কমিটি সূত্রে জানানো হয়েছে, বিগত বছরগুলিতে তারাপীঠে ভক্ত সমাগম অভাবনীয় হারে বেড়েছে। ফলে মন্দির চত্বরে অনিয়ন্ত্রিত ভিড়, দীর্ঘ অপেক্ষা ও যাতায়াতের নানা সমস্যা তৈরি হচ্ছে। যা পুণ্যার্থীদের রোজকার মায়ের দর্শনে ঘটাচ্ছে ব্যাঘাত। এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানে তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সামগ্রিক পরিকাঠামো উন্নয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে ভক্তদের জন্য শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধকদের সাধনার উপযুক্ত পরিবেশ ও স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
৬ নভেম্বর মহাযজ্ঞের মাধ্যমে এই উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা হবে। মন্দির কমিটির দাবি, অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পল, দুধকুমার মণ্ডল, মন্ত্রী জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় সহ একাধিক বিধায়ক, সাধুসন্ত ও বিশিষ্টজনরা। মহাযজ্ঞ ছাড়াও দিনভর কালীকীর্তন ও নানাবিধ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজিত হবে।
মন্দির কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, ভক্তি ও আধুনিক পরিকল্পনার এই মেলবন্ধন ভবিষ্যতে দেশের অন্যান্য প্রাচীন তীর্থক্ষেত্রের উন্নয়নেও এক নয়া দিশা দেখাবে।