


লখনউ: ডাক্তার হওয়ার জন্য জোরাজুরি নয়। ব্যবসা দখলের লোভেই বাবাকে খুন করেছে ২১ বছর বয়সি অক্ষত। লখনউয়ের ‘নীল ড্রাম’ হত্যাকাণ্ডের তদন্তে উঠে এল এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। গত বছর নভেম্বরে বাড়ি থেকে বেশ কিছু গয়না চুরি যায়। এই ঘটনায় সন্দেহ গিয়েছিল অক্ষতের উপর। মানবেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে ছেলের সম্পর্কের অবনতি এই ঘটনার পর থেকেই। নিট পরীক্ষায় ভালো ফলের জন্য প্রতিনিয়ত চাপ দিতেন ওষুধ ব্যবসায়ী মানবেন্দ্র। তবে পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ছিল না অক্ষতের। তার আগ্রহ পারিবারিক ব্যবসা। এ নিয়ে দীর্ঘদিন বাবা ও ছেলের বিরোধ চলছিল। গত শুক্রবার ফের বচসা বাঁধে। তারপর লাইসেন্স প্রাপ্ত বন্দুক দিয়ে গুলি করে বাবাকে খুন করে অক্ষত। হাত-পা কেটে কেটে লুকিয়ে রাখে নীল ড্রামের মধ্যে। বাকি অংশ ফেলে দেয় লখনউয়ের বাইরে। তবে মানবেন্দ্রর মাথা উদ্ধার হয়নি। বাবাকে খুনের ঘটনাটি দেখে ফেলেছিল অক্ষতের বোন। তাকেও খুনের হুমকি দেয় অভিযুক্ত। ফলে পুলিশকে প্রথমে কিছু বলতে চায়নি সে। খুনের পর পুলিশে বাবার নামে নিখোঁজ ডায়েরি করে অক্ষত। তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তবে রক্তের দাগ আর অক্ষতর অসংলগ্ন কথাবার্তায় সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপরই তাকে জেরা শুরু হয়। আর জেরার মুখে পড়ে শেষমেশ বাবাকে খুনের কথাটি স্বীকার করে নেয় অক্ষত।