Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘ট্যাবের টাকা পেতে অপরিচিতকে ব্যাঙ্কের তথ্য-নথি নয়’, ফের সতর্কবার্তা পুলিসের

‘ট্যাবের টাকা পেতে অপরিচিতকে ব্যাঙ্কের তথ্য-নথি নয়’, ফের সতর্কবার্তা পুলিসের
  • ১২ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: মানুষের দুর্বলতার সুযোগকে কাজে লাগায় প্রতারকরা! অজান্তে বহু সাধারণ মানুষ প্রতারকদের পাতা ফাঁদে পা দেন। যে কারণে বহু মানুষ সর্বস্বান্ত হয়েছেন। খালি হয়ে যায় তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। রাজ্যে ট্যাবের টাকা কেলেঙ্কারির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সেই আঁচই পেয়েছেন পুলিসের সাইবার বিশেষজ্ঞরা। তাই ট্যাবের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে অজানা কেউ ফোন করলে ব্যাঙ্কের নথি না দেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। প্রয়োজনে ব্যাঙ্ক বা স্কুলে গিয়ে এ নিয়ে কথা বলারও ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
Advertisement
রাজ্য সরকারের ‘তরুণের স্বপ্ন’ প্রকল্পে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীদের ট্যাব কেনার জন্য ১০ হাজার টাকা করে দিচ্ছে রাজ্য সরকার। কিন্তু বর্তমানে ট্যাবের টাকা পাওয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। কেননা, রাজ্যের বেশ কয়েকটি স্কুলে দেখা গিয়েছে, ট্যাবের টাকা চলে গিয়েছে ‘ভূতুড়ে’ অ্যাকাউন্টে। কখনও কলকাতা বা ভিন রাজ্যের অ্যাকাউন্টেও টাকা চলে গিয়েছে বলে খবর। এই আবহে সাইবার প্রতারকরা নতুন করে সক্রিয় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা। এমনিতে ইলেকট্রিকের বিল পেমেন্ট, বন্ধ থাকা এটিএম কার্ড চালু করা, ঋণের ব্যবস্থা করে দেওয়া কিংবা গিফট দেওয়ার নাম করে সাইবার প্রতারণার ঘটনা ঘটেছে। শুধু তাই নয়, পিএম কিষাণ যোজনার নামেও আর্থিক প্রতারণার বিষয়টি সামনে এসেছে বলে অভিযোগ। এবার ট্যাবের টাকা নিয়েও সাইবার চক্র সক্রিয় হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।
এ বিষয়ে পুলিসের এক সাইবার বিশেষজ্ঞ বলেন, বিভিন্ন সময় প্রতারকরা নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করে। বর্তমানে ট্যাবের টাকা অন্যজনের অ্যাকাউন্টে চলে যাওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে প্রতারকরা ফোন করতে পারে। কেননা কয়েকজন পড়ুয়ার ট্যাবের টাকা এদিক-ওদিক চলে যাওয়ায় সাইবার প্রতারণা হয়েছে বলেই প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। প্রতারকের দল পড়ুয়াদের ব্যাঙ্ক ডিটেলস জোগাড় করতে পারে। সেখানে থাকা মোবাইল নম্বরে ফোন করে তারা বলতে পারে, ট্যাবের টাকা পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তাই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য তাকে দিতে হবে। এমন অচেনা কাউকে ব্যাঙ্কের তথ্য দিলে সর্বস্বান্ত হতে হবে, এটা নিশ্চিত। পুলিসের ওই কর্তা বলছেন, অজানা কাউকে কখনওই কোনও নথি দেওয়া উচিত নয়। প্রতারকরা পড়ুয়াকে সরাসরি ফোন না করে তার পরিবারের কাউকেও এমন ফোন করতে পারে।  তাই কেউ ফোন করে লিংক পাঠালে বা ব্যাঙ্কের ডিটেলস দাবি করলে দেবেন না আপনারা।
সম্পর্কিত সংবাদ