গল্পই মূল উপাদান
তাহিরের শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কাজ নেটফ্লিক্সের ‘ইয়ে কালি কালি আঁখে’ ওয়েব সিরিজ। নানা মহল থেকে সে কাজের প্রশংসা পেয়েছেন অভিনেতা। স্পষ্ট বললেন, ‘আমি সত্যি গর্বিত যে এই সিরিজের পরিচালক সিদ্ধার্থ সেনগুপ্ত বিশ্বাস করেন, একটা ছবি বা সিরিজের গল্পই মূল উপাদান। ভালো গল্প লিখতে গেলে সময় এবং অর্থ লাগে। আমিও বিশ্বাস করি যে লেখার পিছনে সময় ব্যয় করলে আমরা ভালো সিরিজ বা ছবি পেতে পারি।’ প্রথমবার সিক্যুয়েলে কাজ করলেন তাহির। পর্দায় আবার ‘বিক্রান্ত’ হয়ে ওঠার আগে এই সিরিজের প্রথম সিজন ফের দেখেছিলেন? হেসে উত্তর দিলেন, ‘না। বরং প্রথম সিজনের চিত্রনাট্য পড়ার পর আমি আমার চরিত্রকে ঘিরে অনেক কিছু লিখেছিলাম। দ্বিতীয় সিজন শুরু করার আগে আমি দু’বছর আগের সেই লেখাগুলো পড়েছিলাম।’
প্রতিযোগিতা
ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তার পর প্রতিযোগিতা এখন অনেক বেড়ে গিয়েছে। সে প্রসঙ্গ উঠতেই তাহিরের জবাব, ‘রেসের ঘোড়া দৌড়য়, আমি তো শিল্পী। মুম্বই এমন এক শহর, যেখানে তিনজন আপনার থেকে ভালো পারফর্ম করবে, সাতজন পিছিয়ে থাকবে। আর ২০জন কোনও সুযোগ পাবে না। কেরিয়ারের শুরুর দিকে প্রতিযোগিতায় বিশ্বাস করতাম না বললে মিথ্যে বলা হবে। পরে বুঝেছি টিকে থাকতে হলে যা পাচ্ছি, তাতেই খুশি থাকতে হবে। বিশেষ করে কোভিডের পর থেকে কোনও ভালো কাজে অভিনয়ের সুযোগ পেলেই আনন্দে থাকি’।
ভালো মানের কাজ
অনিশ্চয়তায় ভরা পেশায় টিকে রয়েছেন বহু বছর। কিন্তু বরাবরই বেছে কাজ করতে পছন্দ করেন তাহির। তাঁর কথায়, ‘প্রচুর কাজ নয়। বরং ভালো মানের কাজে আমি বিশ্বাসী। প্রথম থেকেই চেয়েছি, আমার প্রতি দর্শকের যেন আস্থা তৈরি হয়। আমার নাম শুনেই তাঁরা যেন আমার অভিনয় দেখতে আগ্রহী হন।’
টেস্টিং টাইম
ইদানীং প্রচুর ছবি এবং সিরিজ তৈরি হচ্ছে ইন্ডাস্ট্রিতে। সেকারণে কি গল্পের মান কমে যাচ্ছে? এপ্রসঙ্গে তাহিরের মত, ‘ইন্ডাস্ট্রির জন্য এটা টেস্টিং টাইম মনে হয়। কোভিডের পর নির্মাতা এবং দর্শক— উভয়ের জন্যই নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। তবে এসবের মধ্যে দক্ষিণী ছবি হিট হচ্ছে শুধুমাত্র ভালো গল্পের জোরে। ভালো গল্প এবং ভালো অভিনেতা নিয়ে ছবি নির্মাণ করলে তা দর্শকের পছন্দ হবে।’
দেবারতি ভট্টাচার্য, মুম্বই