নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: কোনও পদের অবলুপ্তি নিয়ে বিতর্ক নতুন বিষয় নয়। কিন্তু নির্দিষ্ট একটি পদের অস্তিত্ব নিয়েই তরজা রীতিমতো ইঙ্গিতপূর্ণ বটে! এমনই ঘটেছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এই সাম্মানিক পদটির নাম ‘রবীন্দ্র চেয়ার’। কিন্তু এর অস্তিত্ব আদৌ আছে, নাকি নেই, তা নিয়েই বেনজির ধন্দ তৈরি হয়েছে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘রবীন্দ্র চেয়ার’ পদ নেই বলে দাবি কর্তৃপক্ষের। আবার বিশ্ববিদ্যালয় এবং দিল্লির বিভিন্ন কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন এই পদে কাউকে বসানো হয় না।
Advertisement
সম্প্রতি বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষার স্বীকৃতি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। অথচ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামেই নামাঙ্কিত একটি সাম্মানিক পদ নিয়ে কোনও হেলদোল নেই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। এমনই অভিযোগ করছেন শিক্ষকদের একাংশ। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ডঃ বিকাশ গুপ্তা সাফ জানিয়েছেন, ইউনিভার্সিটিতে এমন কোনও পদের অস্তিত্বই নেই। তাই অবলুপ্তির প্রশ্নও ওঠে না। শিক্ষক মহলের একটি অংশের দাবি, অতীতে ওই পদের ভার সামলেছেন রবীন্দ্রকুমার দাশগুপ্ত, শিশিরকুমার দাশের মতো বিশিষ্ট অধ্যাপক। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক একটি নিয়োগ সংক্রান্ত বিজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করেই প্রশ্ন ওঠে। গত ৩ অক্টোবর ওই বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত হয়েছে। তাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩৬টি বিভাগের অধ্যাপক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভিমা ভোই চেয়ারের উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু আলাদাভাবে রবীন্দ্র চেয়ার নামে আর কোনও পদের উল্লেখ নেই। এরপরেই দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের একাংশ প্রশ্ন তোলেন, তাহলে কি এহেন সাম্মানিক একটি পদই অবলুপ্ত করে দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ?



