হায়দরাবাদ, ১৮ ডিসেম্বর: হায়দরাবাদে ‘পুষ্পা ২’ ছবির প্রিমিয়ারে গুরুতর জখম নাবালকের অবস্থার অবনতি। গতকাল, মঙ্গলবার তাঁকে ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, গত কয়েকদিনে তার অবস্থার কোনও উন্নতি হয়নি। স্বাভাবিকভাবে নিঃশ্বাস প্রশ্বাস নিতে না পারার কারণে নাবালকটির ‘ব্রেন ডেথ’ হয়েছে। বর্তমানে তার অবস্থা অতি সঙ্কটজনক।
Advertisement
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত ৪ ডিসেম্বর যখন তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, তখন তার রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ অত্যন্ত কম ছিল। তখনই তাকে অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়। গত ১০ ডিসেম্বর ওই অক্সিজেন সাপোর্ট খোলা হল ফের তাঁর সমস্যা বৃদ্ধি পায়। ফলে আবার তাকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়।
গত ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হায়দরাবাদে একটি প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা ২’ ছবির প্রিমিয়ার ছিল। প্রেক্ষাগৃহে সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে সিনেমা দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা অল্লু অর্জুন এবং অভিনেত্রী রশ্মিকা মান্ধানা। তাঁদের দেখতেই সেই প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাপ্রেমী থেকে অল্লুর ভক্তদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। সেই ভিড়েই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক মহিলার। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মৃতার ৯ বছরের সন্তানকে। পুলিস সূত্রে খবর, প্রেক্ষাগৃহে অল্লু অর্জুন আসতেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। ভিড় সামলাতে পুলিসও হিমশিম খেয়ে গিয়েছিল। ভিড়ের চাপে ভেঙে যায় প্রেক্ষাগৃহের মূল প্রবেশপথের লোহার গেটও। এরপর ভিড় নিয়ন্ত্রণে একপ্রকার বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করে পুলিস।
এই ঘটনায় একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে অল্লুকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। নিম্ন আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ওই দিনই তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আল্লুর আইনজীবী সেখানে জামিন পান দক্ষিণী সুপারস্টার। চার সপ্তাহের জন্য তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আল্লু শুধুমাত্র একজন অভিনেতা বলেই তাঁকে এভাবে আটকে রাখা যায় না। তাঁর স্বাধীনতার অধিকারকেও খারিজ করা যায় না। অল্লুর গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে মামলা দায়েরকারী মৃতার স্বামী অবশ্য বলেন, “এই ঘটনায় আল্লুর কিছুই করার নেই। দরকার হলে আমি মামলা তুলে নেব।”
গত ৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হায়দরাবাদে একটি প্রেক্ষাগৃহে ‘পুষ্পা ২’ ছবির প্রিমিয়ার ছিল। প্রেক্ষাগৃহে সাধারণ দর্শকদের সঙ্গে সিনেমা দেখতে উপস্থিত হয়েছিলেন ছবির মূল চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা অল্লু অর্জুন এবং অভিনেত্রী রশ্মিকা মান্ধানা। তাঁদের দেখতেই সেই প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাপ্রেমী থেকে অল্লুর ভক্তদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। সেই ভিড়েই পদপিষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় এক মহিলার। গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মৃতার ৯ বছরের সন্তানকে। পুলিস সূত্রে খবর, প্রেক্ষাগৃহে অল্লু অর্জুন আসতেই হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায়। ভিড় সামলাতে পুলিসও হিমশিম খেয়ে গিয়েছিল। ভিড়ের চাপে ভেঙে যায় প্রেক্ষাগৃহের মূল প্রবেশপথের লোহার গেটও। এরপর ভিড় নিয়ন্ত্রণে একপ্রকার বাধ্য হয়েই লাঠিচার্জ করে পুলিস।
এই ঘটনায় একটি অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৩ ডিসেম্বর দুপুরে অল্লুকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। নিম্ন আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ওই দিনই তেলেঙ্গানা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আল্লুর আইনজীবী সেখানে জামিন পান দক্ষিণী সুপারস্টার। চার সপ্তাহের জন্য তাঁকে অন্তর্বর্তী জামিন দেয় হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, আল্লু শুধুমাত্র একজন অভিনেতা বলেই তাঁকে এভাবে আটকে রাখা যায় না। তাঁর স্বাধীনতার অধিকারকেও খারিজ করা যায় না। অল্লুর গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে মামলা দায়েরকারী মৃতার স্বামী অবশ্য বলেন, “এই ঘটনায় আল্লুর কিছুই করার নেই। দরকার হলে আমি মামলা তুলে নেব।”



