নিজস্ব প্রতিনিধি ও সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: কীর্তনের আসরে যাওয়ার আবদার নিয়ে স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্য। তাতেই গোসা করে শ্বশুরবাড়ি ছাড়েন নববধূ। সজল নয়নে প্রায় ১০ ঘণ্টা কাটান স্টেশনে। অবশেষে স্টেশন চত্বরে মোতায়েন রেল পুলিসের হস্তক্ষেপে বিরোধ মেটে। চার হাত এক হয় দম্পতির। ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র রাতে এমনই একটি ঘটনার সাক্ষী থাকল রায়গঞ্জ স্টেশন চত্বর।
Advertisement
রেল পুলিসের রায়গঞ্জ স্টেশনের আধিকারিক বাচ্চু ওঁরাও বলেন, দীর্ঘক্ষণ ধরে ওই যুবতী বধূ লাগেজ নিয়ে ইতস্তত ঘোরাঘুরি করছিলেন। কখনও অঝোর নয়নে কান্নাকাটি করছিলেন। পুলিসই তাঁকে স্টেশন চত্বরে দেখেশুনে রাখে। শেষপর্যন্ত পুলিস একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের সহযোগিতা নিয়ে বধূকে তাঁর স্বামীর হাতে তুলে দেন। বাড়ি ফেরেন বধূটি।
শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যা পিয়ালি মণ্ডল বলেন, শুক্রবার রাতে রায়গঞ্জ স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে খবর পাই, শুক্রবার দুপুর থেকে এক বধূ স্টেশনে বসে কান্নাকাটি করছেন। তাঁর অসহায় অবস্থা। শুনে আমি স্টেশন চত্বরে ছুটে আসি। ততক্ষণে রেল পুলিস তাঁর সঙ্গে কথা বলে বাড়ির ঠিকানা জানার চেষ্টা করে। আমি ওই বধূর সঙ্গে কথা বলে তাঁর সমস্যার বিষয়টি শুনি। তিনি কেন স্টেশনে বসে রয়েছেন? কান্নাকাটি কেন করছেন? জানতে চাই।
জানা যায় বছর চব্বিশের বধূটি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। রায়গঞ্জ শহরে তার শ্বশুরবাড়ি। পারিবারিক অশান্তির কারণে রায়গঞ্জ স্টেশনে একাই এসেছিলেন। ট্রেন ধরে প্রথমে কলকাতায়, পরে বাপের বাড়ি ফিরে যাবেন বলে চলে আসেন। তাঁর কাছে ট্রেনের টিকিটও ছিল। কিন্তু অশান্তির কারণে তিনি একটু বিমর্ষ ছিলেন। তাই তিনি রাতের কলকাতাগামী ট্রেনে ওঠেননি। রায়গঞ্জ স্টেশনেই ঠায় বসেছিলেন।
পিয়ালি বলেন, দুপুর থেকে স্টেশন চত্বরে ওই বধূকে একাকী দেখে পুলিস তাঁর উপর নজর রাখে। তাঁর দেখভাল করে। এতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। শেষে তাঁকে বুঝিয়ে স্বামীর সঙ্গেই শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্টেশনে লোকজনের মাঝেই ফের স্বামীর সঙ্গে নববধূকে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
শহরের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যা পিয়ালি মণ্ডল বলেন, শুক্রবার রাতে রায়গঞ্জ স্টেশন সংলগ্ন এলাকা থেকে খবর পাই, শুক্রবার দুপুর থেকে এক বধূ স্টেশনে বসে কান্নাকাটি করছেন। তাঁর অসহায় অবস্থা। শুনে আমি স্টেশন চত্বরে ছুটে আসি। ততক্ষণে রেল পুলিস তাঁর সঙ্গে কথা বলে বাড়ির ঠিকানা জানার চেষ্টা করে। আমি ওই বধূর সঙ্গে কথা বলে তাঁর সমস্যার বিষয়টি শুনি। তিনি কেন স্টেশনে বসে রয়েছেন? কান্নাকাটি কেন করছেন? জানতে চাই।
জানা যায় বছর চব্বিশের বধূটি মুম্বইয়ের বাসিন্দা। রায়গঞ্জ শহরে তার শ্বশুরবাড়ি। পারিবারিক অশান্তির কারণে রায়গঞ্জ স্টেশনে একাই এসেছিলেন। ট্রেন ধরে প্রথমে কলকাতায়, পরে বাপের বাড়ি ফিরে যাবেন বলে চলে আসেন। তাঁর কাছে ট্রেনের টিকিটও ছিল। কিন্তু অশান্তির কারণে তিনি একটু বিমর্ষ ছিলেন। তাই তিনি রাতের কলকাতাগামী ট্রেনে ওঠেননি। রায়গঞ্জ স্টেশনেই ঠায় বসেছিলেন।
পিয়ালি বলেন, দুপুর থেকে স্টেশন চত্বরে ওই বধূকে একাকী দেখে পুলিস তাঁর উপর নজর রাখে। তাঁর দেখভাল করে। এতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। শেষে তাঁকে বুঝিয়ে স্বামীর সঙ্গেই শ্বশুরবাড়িতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্টেশনে লোকজনের মাঝেই ফের স্বামীর সঙ্গে নববধূকে বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।



