নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: মালদহে পাঁচ বছরের কন্যার সামনে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ি লোকজনের বিরুদ্ধে বধূকে খুনের অভিযোগ উঠল। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম আমিলি বিবি (২৬)। তাঁকে খুন করে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে শিশুটি জানিয়েছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন শিশুটি বলেছে ‘মাকে ওরা মেরেছে’। ঘটনার বর্ণনাও সে পুলিসকে দিয়েছে। ইংলিশবাজার থানার পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
আমিলি বিবির বাবার বাড়ি ইংলিশবাজার ব্লকের নরহাট্টা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুর্গাপুরে। ছ’বছর আগে তাঁর বিয়ে হয় নরহট্টার আনন্দীপুর গ্রামের আজিজুর রহমানের সঙ্গে। মাঝেমধ্যে আজিজুর স্ত্রীকে মারধর করত বলে অভিযোগ। মৃত বধূর দিদি মিলিয়ারা বিবি বলেন, বিয়ের পর ওরা ভালোই ছিল। বাচ্চা হওয়ার পর থেকেই আজিজুর অশান্তি শুরু করে। নেশা করে এসে বোনকে মারধর করত। কিছুদিন আগেই বোনকে মেরে রক্তাক্ত করে দিয়েছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে বোনকে ওর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মারধর করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়। একথা ওদের মেয়েই আমাদেরকে জানিয়েছে। এদিন সাতসকালে আমরা ঘটনাটি জানতে পারি। আমরা থানায় শীঘ্রই খুনের অভিযোগ দায়ের করব।
বধূর বাবার বাড়ির লোকজন বলেন, নগদ টাকার দাবিতে মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত। বারবার বিষয়টি নিয়ে আপস মীমাংসার চেষ্টা করেও সমস্যা মেটেনি। এদিন সকালে মৃতের বাবা নুরুল হককে ফোন করে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এদিন বাবা নুরুল হক বলেন, ছ’বছর আগে দেখাশোনা করে এলাকারই যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিই। প্রথম দিকে সব ঠিকই ছিল। কিন্তু মেয়ে হওয়ার পর থেকেই জামাই পাল্টে যায়। মাঝেমধ্যেই মেয়েকে আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দিত। মেয়ে আমাকে সব বলত। কিন্তু আমার আর্থিক অবস্থাও ভালো নয়। কিন্তু তারপরও যতটা পেরেছি দিয়েছে। তারপরও জামাই মাঝেমধ্যেই মেয়েকে মারধর করত। ঘটনা সম্পর্কে পাঁচ বছরের নাতনি আমাদের সব জানিয়েছে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ করব। আমারা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি চাই।
এদিকে খবর পেয়ে ইংলিশবাজার থানার পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক মৃত গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর। ইতিমধ্যেই তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। তবে ওই বধূর শ্বশুরবাড়ির পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দাবি, আমিলি বিবিকে কেউ খুন করেনি। সে আত্মহত্যাই করেছে।
বধূর বাবার বাড়ির লোকজন বলেন, নগদ টাকার দাবিতে মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত। বারবার বিষয়টি নিয়ে আপস মীমাংসার চেষ্টা করেও সমস্যা মেটেনি। এদিন সকালে মৃতের বাবা নুরুল হককে ফোন করে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানায় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনি মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। এদিন বাবা নুরুল হক বলেন, ছ’বছর আগে দেখাশোনা করে এলাকারই যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিই। প্রথম দিকে সব ঠিকই ছিল। কিন্তু মেয়ে হওয়ার পর থেকেই জামাই পাল্টে যায়। মাঝেমধ্যেই মেয়েকে আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার জন্য চাপ দিত। মেয়ে আমাকে সব বলত। কিন্তু আমার আর্থিক অবস্থাও ভালো নয়। কিন্তু তারপরও যতটা পেরেছি দিয়েছে। তারপরও জামাই মাঝেমধ্যেই মেয়েকে মারধর করত। ঘটনা সম্পর্কে পাঁচ বছরের নাতনি আমাদের সব জানিয়েছে। এনিয়ে থানায় অভিযোগ করব। আমারা অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তি চাই।
এদিকে খবর পেয়ে ইংলিশবাজার থানার পুলিস ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পুলিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে। ঘটনার পর থেকেই পলাতক মৃত গৃহবধূর স্বামী ও শ্বশুর। ইতিমধ্যেই তাদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে। তবে ওই বধূর শ্বশুরবাড়ির পরিবারের কয়েকজন সদস্যের দাবি, আমিলি বিবিকে কেউ খুন করেনি। সে আত্মহত্যাই করেছে।



