নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আঠারো বছর আগের ঘটনা। বাংলার বুকে দেশ কাঁপানো ২৬ দিন। সিঙ্গুরের মাটিতে এমনই এক চার ডিসেম্বর শুরু হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমরণ অনশন। ৩০ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্সবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও একবার উঠল সেই ঐতিহাসিক প্রসঙ্গ।
Advertisement
বুধবার ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহের ঝাঁ চকচকে মঞ্চে বক্তব্য রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে চলচ্চিত্র পরিচালক তপন সিনহার শতবর্ষ উদযাপনে উদ্বোধনী ছবি ‘গল্প হলেও সত্যি’ দেখানো হবে। মমতা তপন সিনহার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বললেন, ‘আজকের দিনে ২৬ দিনের অনশন শুরু করেছিলাম। তপন সিনহা আমাকে একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। সেই চিঠিটা আজও রেখে দিয়েছি। তিনি আন্দোলনকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন।’
এরপর মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল ঋত্বিক ঘটক, সত্যজিত্ রায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়দের কথা। মঞ্চে তখন বসে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, আফগানিস্তান, ইরান, গ্রিসের চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, ‘সিনেমার কোনও সীমানা নেই। আমরা সকলে এক। শুধু গায়ের রং, পোশাক, ভাষা আলাদা। আমি কমিটিকে অনুরোধ করেছিলাম, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রর সঙ্গে বাংলা ছবিও যেন থাকে। এবার অনেক বাংলা ছবি দেখানো হবে।’
এ বছর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বর্ষীয়ান অভিনেতা ও আসানসোলের সাংসদ শত্রঘ্ন সিনহা, ক্রীড়াবিদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও আর্জেন্টিনার চলচ্চিত্র পরিচালক পাবলো সিজার। মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, ‘অমিতাভ বচ্চনের শরীর ভালো নেই। শত্রুঘ্ন জী রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের বলব, এখানকার লোকেদের সৃজনশীলতা আকাশছোঁয়া। ওঁদের ব্যবহার করুন। বাংলায় পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্র সব রয়েছে। আমাদের দেশকেও আপনাদের ছবিতে দেখান। আপনাদের এবং আমাদের শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করুক।’ অনুষ্ঠানের শুরুতে ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় ও সম্প্রদায় নৃত্য পরিবেশন করেন। মুখ্যমন্ত্রীর লেখা-‘এই পৃথিবী, এই মাটি’ গানটির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশিত হয়।
মমতার সঙ্গে এদিন ধনধান্যর মঞ্চে বসেছিল চাঁদের হাট। উপস্থিত ছিলেন উত্সব চেয়ারম্যান গৌতম ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা মাধবী মুখোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক, দুলাল লাহিড়ী, দীপঙ্কর দে, চিরঞ্জিত্ চক্রবর্তী, সব্যসাচী চক্রবর্তী, শতাব্দী রায়, মুনমুন সেন, সৃজিত মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব শান্তনু বসু। ছিলেন একাধিক আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জুন মালিয়া ও যিশু সেনগুপ্ত। গুরুগম্ভীর আলোচনার পাশাপাশি হালকা মেজাজেও এদিন দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। রুক্মিণী মৈত্র মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে উত্তরীয় তুলে দিচ্ছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রী সেই উত্তরীয় নিজে না পরে দিলেন অভিনেতা দেবকে। সকলে বললেন, একেবারে ‘দিদি সুলভ’ আচরণ। হাসির রোলও উঠল প্রেক্ষাগৃহে। অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বে ছিলেন অভিনেতা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, পাওলি দাম, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, লাভলি মৈত্র, দেবলীনা কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশানী, বনি, শ্রীতমা প্রমুখ। জাতীয়সঙ্গীত দিয়ে শেষ হয় এদিনের অনুষ্ঠান। তারপর প্রদর্শিত হয় উদ্বোধনী সিনেমা।
এরপর মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে উঠে এল ঋত্বিক ঘটক, সত্যজিত্ রায়, সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়দের কথা। মঞ্চে তখন বসে আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, আফগানিস্তান, ইরান, গ্রিসের চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরা। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, ‘সিনেমার কোনও সীমানা নেই। আমরা সকলে এক। শুধু গায়ের রং, পোশাক, ভাষা আলাদা। আমি কমিটিকে অনুরোধ করেছিলাম, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রর সঙ্গে বাংলা ছবিও যেন থাকে। এবার অনেক বাংলা ছবি দেখানো হবে।’
এ বছর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বর্ষীয়ান অভিনেতা ও আসানসোলের সাংসদ শত্রঘ্ন সিনহা, ক্রীড়াবিদ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও আর্জেন্টিনার চলচ্চিত্র পরিচালক পাবলো সিজার। মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, ‘অমিতাভ বচ্চনের শরীর ভালো নেই। শত্রুঘ্ন জী রয়েছেন। আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের বলব, এখানকার লোকেদের সৃজনশীলতা আকাশছোঁয়া। ওঁদের ব্যবহার করুন। বাংলায় পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্র সব রয়েছে। আমাদের দেশকেও আপনাদের ছবিতে দেখান। আপনাদের এবং আমাদের শিল্পীরা একসঙ্গে কাজ করুক।’ অনুষ্ঠানের শুরুতে ডোনা গঙ্গোপাধ্যায় ও সম্প্রদায় নৃত্য পরিবেশন করেন। মুখ্যমন্ত্রীর লেখা-‘এই পৃথিবী, এই মাটি’ গানটির সঙ্গে নৃত্য পরিবেশিত হয়।
মমতার সঙ্গে এদিন ধনধান্যর মঞ্চে বসেছিল চাঁদের হাট। উপস্থিত ছিলেন উত্সব চেয়ারম্যান গৌতম ঘোষ, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেতা মাধবী মুখোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, রঞ্জিত মল্লিক, দুলাল লাহিড়ী, দীপঙ্কর দে, চিরঞ্জিত্ চক্রবর্তী, সব্যসাচী চক্রবর্তী, শতাব্দী রায়, মুনমুন সেন, সৃজিত মুখোপাধ্যায় প্রমুখ। ছিলেন রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ পন্থ, স্বরাষ্ট্র সচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সচিব শান্তনু বসু। ছিলেন একাধিক আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব। রাজ্য সঙ্গীত ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন জুন মালিয়া ও যিশু সেনগুপ্ত। গুরুগম্ভীর আলোচনার পাশাপাশি হালকা মেজাজেও এদিন দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। রুক্মিণী মৈত্র মুখ্যমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে উত্তরীয় তুলে দিচ্ছেন, তখন মুখ্যমন্ত্রী সেই উত্তরীয় নিজে না পরে দিলেন অভিনেতা দেবকে। সকলে বললেন, একেবারে ‘দিদি সুলভ’ আচরণ। হাসির রোলও উঠল প্রেক্ষাগৃহে। অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বে ছিলেন অভিনেতা রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, পাওলি দাম, সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, লাভলি মৈত্র, দেবলীনা কুমার, অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়, কৌশানী, বনি, শ্রীতমা প্রমুখ। জাতীয়সঙ্গীত দিয়ে শেষ হয় এদিনের অনুষ্ঠান। তারপর প্রদর্শিত হয় উদ্বোধনী সিনেমা।
তারাদের মঞ্চ...। কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনে সায়ন চক্রবর্তীর তোলা ছবি।



