নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: ‘দিদি’র দেওয়া বাড়ির টাকায় ভাগ বসাতে চাইছেন এক পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী! এই নিয়ে বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানালেন উপভোক্তারা। যদিও, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী। ঘটনাটি বারাসত ১ ব্লকের কদম্বগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের উলা গ্রামের।
Advertisement
সারা রাজ্যের পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনা জেলাতেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে প্রথম দফার ৬০ হাজার টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। জেলা সদর শহর বারাসতের কদম্বগাছি পঞ্চায়েতের উলা এলাকায় ২৭ নম্বর পার্টে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে উপভোক্তার সংখ্যা ৭৮। ইতিমধ্যেই ৩০ জনের বেশি উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে ৬০ হাজার টাকা করে চলে গিয়েছে। কিন্তু এরপরে পঞ্চায়েতের সদস্যা রেহেনা পারভিনের স্বামী টাকা চাইছেন বলে অভিযোগ ওঠে। কারও কাছে পাঁচ হাজার, কারও কাছে ১০ হাজার বা তার বেশি টাকা তিনি চাইছেন বলে দাবি উপভোক্তাদের। শুধু তাই নয়, এই টাকা না দিলে দ্বিতীয় দফার টাকা পেতে রীতিমতো ‘কষ্ট হবে’ বলেও হুমকিও দিচ্ছেন তিনি। এক উপভোক্তা ওমর আলি মণ্ডল বলেন, আমার কাছে উনি পাঁচ হাজার টাকা দাবি করেছিলেন। কিন্তু আমি দরিদ্র মানুষ। স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, টাকা দিতে পারব না। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন এই টাকার ভাগ কাউকে না দিতে।
আরেক উপভোক্তার স্ত্রী সাহিনা বিবি বলেন, স্বামীর নামে টাকা এসেছে। প্রথমে ২০ হাজার টাকা দিতে বলেছিল, তারপর কমে ১০ হাজার। তবে আমরা স্পষ্ট বলে দিয়েছি, একটা টাকাও দিতে পারব না। কারণ, এই টাকা দিয়েছেন দিদি, মুখ্যমন্ত্রী। তাই বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আরও এক উপভোক্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে এসে আমাদের কাছে পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। কিন্তু আমরা দেব না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছি।
এদিকে, যে পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর নামে এই অভিযোগ, সেই রেহেনা পারভিন আইএসএ-এর হয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতেছিলেন। পরে তিনি যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী মিনহাজ হোসেন বলেন, মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বিডিও অফিসে। আইএসএফ থেকে জিতে আমার স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই, তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী এই চক্রান্ত করছে।
আরেক উপভোক্তার স্ত্রী সাহিনা বিবি বলেন, স্বামীর নামে টাকা এসেছে। প্রথমে ২০ হাজার টাকা দিতে বলেছিল, তারপর কমে ১০ হাজার। তবে আমরা স্পষ্ট বলে দিয়েছি, একটা টাকাও দিতে পারব না। কারণ, এই টাকা দিয়েছেন দিদি, মুখ্যমন্ত্রী। তাই বিডিওকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। আরও এক উপভোক্তা আজিজুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন আগে এসে আমাদের কাছে পাঁচ হাজার টাকা চেয়েছিল। কিন্তু আমরা দেব না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছি।
এদিকে, যে পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামীর নামে এই অভিযোগ, সেই রেহেনা পারভিন আইএসএ-এর হয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে জিতেছিলেন। পরে তিনি যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ওই পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী মিনহাজ হোসেন বলেন, মানুষকে ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে জমা দেওয়া হয়েছে বিডিও অফিসে। আইএসএফ থেকে জিতে আমার স্ত্রী তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই, তৃণমূলের একটি গোষ্ঠী এই চক্রান্ত করছে।



