সন্দীপ স্বর্ণকার, নয়াদিল্লি: ‘ইন্ডিয়া’ জোটে তৃণমূলকে ধরে রাখতে মরিয়া কংগ্রেস। শীতকালীন অধিবেশন শুরুর পর থেকেই কংগ্রেসের উদ্যোগ এড়িয়ে যাচ্ছে তৃণমূল। অথচ সমাজবাদী পার্টি, আম আদমি পার্টির মতো দলের কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে।
Advertisement
বিষয়টি লক্ষ্য করে মঙ্গলবার সরাসরি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেন স্বয়ং রাহুল গান্ধী। গত শুক্রবারও সুদীপবাবু এবং সৌগত রায়ের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন রাহুল। তবে সেদিন রাজনৈতিক কোনও কথা হয়নি। এদিন ছিল রাজনৈতিক বিষয়। মোদি বিরোধী জোটবদ্ধ অবস্থান।
এদিন সকালে সংসদ ভবনের মকর দ্বারের সামনে দুর্নীতির অভিযোগ ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস। যোগ দেয়, ডিএমকে, শারদ পাওয়ারের এনসিপি, আরএসপি, আপ, আইইউএমলের মতো বিজেপি বিরোধীরা। দেখা যায়নি তৃণমূল আর সমাজবাদী পার্টিকে। মোদি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের ক্ষেত্রে যা চোখে পড়ার মতো। তাই এদিন লোকসভায় সরাসরি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেন রাহুল।
নিজের আসন ছেড়ে এগিয়ে যান সুদীপবাবুর কাছে। জানতে চান, কেন কংগ্রেস তথা বিরোধীদের কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে না তৃণমূল? রাজনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সুদীপবাবুকে রাহুল বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কি কোনও ভুল হয়েছে? কেন আপনারা সকালের বিক্ষোভে শামিল হলেন না? এনি প্রবলেম?’ জবাবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা তৃণমূলকে জানানোই হয়নি।
শুনে অবাক হন রাহুল। বিরোধী বেঞ্চে প্রথম সারিতেই কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালকে নিজের আসনের ঠিক বাঁ পাশে বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল। বেণুগোপালকে সেখান থেকে সুদীপবাবুর কাছে ডেকে পাঠান। জানতে চান, কেন তৃণমূলকে বিক্ষোভ কর্মসূচির ব্যাপারে জানানো হয়নি? জবাবে আমতা আমতা করতে থাকেন বেণুগোপাল। বলেন, সোমবার অনেক রাতে তো এই বিক্ষোভের বিষয়টি ঠিক হয়েছে। তাই ঠিক মতো বলে ওঠা হয়নি।
রাহুলের এই উদ্যোগেই স্পষ্ট, কোনওভাবেই তৃণমূলকে জোটছাড়া করতে নারাজ কংগ্রেস। রাহুলকে সুদীপবাবু জানিয়ে দেন, তোমরা যে ইস্যুতে সরব, সেটা আমাদের অগ্রাধিকার নয়। আমাদের ফোকাস বাংলাকে কেন্দ্রের বঞ্চনা। আমরা বিজেপির প্রতি নরম নই। যা শুনে আশ্বস্ত হন রাহুল। ছবি: পিটিআই
এদিন সকালে সংসদ ভবনের মকর দ্বারের সামনে দুর্নীতির অভিযোগ ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখায় কংগ্রেস। যোগ দেয়, ডিএমকে, শারদ পাওয়ারের এনসিপি, আরএসপি, আপ, আইইউএমলের মতো বিজেপি বিরোধীরা। দেখা যায়নি তৃণমূল আর সমাজবাদী পার্টিকে। মোদি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের ক্ষেত্রে যা চোখে পড়ার মতো। তাই এদিন লোকসভায় সরাসরি সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা বলেন রাহুল।
নিজের আসন ছেড়ে এগিয়ে যান সুদীপবাবুর কাছে। জানতে চান, কেন কংগ্রেস তথা বিরোধীদের কর্মসূচিতে যোগ দিচ্ছে না তৃণমূল? রাজনৈতিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সুদীপবাবুকে রাহুল বলেন, ‘আমাদের পক্ষ থেকে কি কোনও ভুল হয়েছে? কেন আপনারা সকালের বিক্ষোভে শামিল হলেন না? এনি প্রবলেম?’ জবাবে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, বিক্ষোভ কর্মসূচির কথা তৃণমূলকে জানানোই হয়নি।
শুনে অবাক হন রাহুল। বিরোধী বেঞ্চে প্রথম সারিতেই কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) কে সি বেণুগোপালকে নিজের আসনের ঠিক বাঁ পাশে বসার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা রাহুল। বেণুগোপালকে সেখান থেকে সুদীপবাবুর কাছে ডেকে পাঠান। জানতে চান, কেন তৃণমূলকে বিক্ষোভ কর্মসূচির ব্যাপারে জানানো হয়নি? জবাবে আমতা আমতা করতে থাকেন বেণুগোপাল। বলেন, সোমবার অনেক রাতে তো এই বিক্ষোভের বিষয়টি ঠিক হয়েছে। তাই ঠিক মতো বলে ওঠা হয়নি।
রাহুলের এই উদ্যোগেই স্পষ্ট, কোনওভাবেই তৃণমূলকে জোটছাড়া করতে নারাজ কংগ্রেস। রাহুলকে সুদীপবাবু জানিয়ে দেন, তোমরা যে ইস্যুতে সরব, সেটা আমাদের অগ্রাধিকার নয়। আমাদের ফোকাস বাংলাকে কেন্দ্রের বঞ্চনা। আমরা বিজেপির প্রতি নরম নই। যা শুনে আশ্বস্ত হন রাহুল। ছবি: পিটিআই



