নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বকেয়া ডিএ’র দাবিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামা সংগ্রামী যৌথ মঞ্চে বড়সড় ভাঙন ধরল। নিষ্ক্রিয় থাকা এবং সদস্যপদ পুনর্নবীকরণ না করার অভিযোগে মঞ্চ থেকে অন্তত ১২টি গণসংগঠনকে বের করে দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কার বলতে, তাঁদের সরানো হয়েছে সংগঠনের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে। এদিকে, বহিষ্কৃতদের তরফে মঞ্চের স্বেচ্ছাচার এবং বিশেষ রাজনৈতিক দল, প্রকারান্তরে বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা, আন্দোলনের নামে মুখ্যমন্ত্রীকে ব্যক্তি আক্রমণকেই অভিযোগের কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে।
Advertisement
বহিষ্কৃত সংগঠনগুলির মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মচারী ইউনিয়ন ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, নার্সেস ইউনিটি, সজল বিশ্বাসের নেতৃত্বাধীন চিকিৎসক সংগঠন, অজয় সেনাপতির নেতৃত্বাধীন সরকারি কর্মচারী সংগঠন, শিক্ষক ও অধ্যাপক সংগঠন এসটিইএ, বঙ্গীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ প্রভৃতি।
শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ গড়ে
তুলতে আমারও অন্যতম প্রধান ভূমিকা ছিল। তবে, মঞ্চ যেভাবে কয়েকজনের কথায় চলছিল, তার লিখিত প্রতিবাদ করেছিলাম। বার বার আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলাম, তাতে সাড়া দেওয়া হয়নি। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ওঠাবসা, চাঁদা সংগ্রহ, একটি রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করে মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ, নবান্ন অভিযান, এসব দিকেই বেশি আগ্রহ ছিল তাদের। এর ফলে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অনুসারী বা নিরপেক্ষ মানুষজন আগেই সরে গিয়েছেন।
মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক, শিক্ষক সংগঠন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষনেতা ভাস্কর ঘোষ এই অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সবার মত নিয়েই যাবতীয় কর্মসূচি হয়েছে। তার প্রমাণও রয়েছে। মঞ্চের শেষ কর্মসূচিতে বিজেপির পাশাপাশি সিপিএম এবং কংগ্রেসের নেতারাও অংশ নিয়েছেন। তাই যাঁরা শুধু বিজেপির সঙ্গেই ঘনিষ্ঠতা দেখতে পাচ্ছেন, তাঁরা কি অন্য কোনও বিশেষ দলের ঘনিষ্ঠ? এই প্রশ্ন তো উঠতেই পারে। কোনও বৈঠক বা কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া এবং সদস্যপদ নবীকরণ না করার জন্য তাঁদের গ্রুপ থেকে সরানো হয়েছে। তাঁরাও এটাই চেয়েছিলেন। তাহলে এখন আর আপত্তি করছেন কেন?
শিক্ষানুরাগী ঐক্যমঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী বলেন, সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ গড়ে
তুলতে আমারও অন্যতম প্রধান ভূমিকা ছিল। তবে, মঞ্চ যেভাবে কয়েকজনের কথায় চলছিল, তার লিখিত প্রতিবাদ করেছিলাম। বার বার আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছিলাম, তাতে সাড়া দেওয়া হয়নি। বিজেপি নেতাদের সঙ্গে ওঠাবসা, চাঁদা সংগ্রহ, একটি রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করে মুখ্যমন্ত্রীকে কুরুচিকর আক্রমণ, নবান্ন অভিযান, এসব দিকেই বেশি আগ্রহ ছিল তাদের। এর ফলে, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অনুসারী বা নিরপেক্ষ মানুষজন আগেই সরে গিয়েছেন।
মঞ্চের অন্যতম আহ্বায়ক, শিক্ষক সংগঠন উস্থি ইউনাইটেড প্রাইমারি টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের শীর্ষনেতা ভাস্কর ঘোষ এই অভিযোগগুলি উড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, সবার মত নিয়েই যাবতীয় কর্মসূচি হয়েছে। তার প্রমাণও রয়েছে। মঞ্চের শেষ কর্মসূচিতে বিজেপির পাশাপাশি সিপিএম এবং কংগ্রেসের নেতারাও অংশ নিয়েছেন। তাই যাঁরা শুধু বিজেপির সঙ্গেই ঘনিষ্ঠতা দেখতে পাচ্ছেন, তাঁরা কি অন্য কোনও বিশেষ দলের ঘনিষ্ঠ? এই প্রশ্ন তো উঠতেই পারে। কোনও বৈঠক বা কর্মসূচিতে অংশ না নেওয়া এবং সদস্যপদ নবীকরণ না করার জন্য তাঁদের গ্রুপ থেকে সরানো হয়েছে। তাঁরাও এটাই চেয়েছিলেন। তাহলে এখন আর আপত্তি করছেন কেন?



