নয়াদিল্লি: চীন ভারতের শত্রু নয়। জি জিনপিংয়ের দেশ আমাদের কী ক্ষতি করতে পারে তা স্পষ্ট নয়। তাই এই মনোভাব পাল্টানো দরকার। ভারত-চীন সম্পর্ক নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করে ফের বিতর্কে জড়ালেন কংগ্রেস নেতা স্যাম পিত্রোদা। ইন্ডিয়ান ওভারসিস কংগ্রেস প্রধানের মন্তব্যকে হাতিয়ার করে হাত শিবিরকে একহাত নিয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে, পিত্রোদার মন্তব্য থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে কংগ্রেস।
Advertisement
সম্প্রতি আমেরিকা সফরে গিয়েছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। চীনা আগ্রাসন একযোগে রুখতে পারবেন ট্রাম্প-মোদি? এক সাক্ষাৎকারে এই প্রশ্নের উত্তরে পিত্রোদার বক্তব্য, ‘চীন আমাদের কী ক্ষতি করতে পারে তা বুঝতে পারছি না। শুরু থেকেই আমরা আক্রমণাত্মক মানসিকতা নিয়ে এগিয়েছি। এর জেরে অনেক শত্রু তৈরি হয়। চীন আমাদের শত্রু, এমন মনোভাব বদলানো দরকার। আসলে আমেরিকার স্বভাব হল কোনও একটি দেশকে শত্রু হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া।’ তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে সব রাষ্ট্রের একজোট হয়ে এগিয়ে চলা উচিত। চীন দ্রুত উন্নতি করছে। তাকে সম্মান করতে হবে।
কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেনি গেরুয়া শিবির। বিজেপি মুখপাত্র তুহিন সিনহার তোপ, ‘কংগ্রেস আমলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৪০ হাজার বর্গ কিমি জমি দখল করেছে চীন। তবুও ওরা ড্রাগনের দেশকে বিপজ্জনক ভাবতে পারছে না। রাহুল গান্ধী চীনের প্রতি এতোটাই মুগ্ধ যে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের পক্ষে সওয়াল করেছেন।’ বিজেপির এই দাবি মানতে নারাজ হাত শিবির। সেইসঙ্গে পিত্রোদার মন্তব্য থেকে দূরত্বও বাড়িয়েছে দল। কংগ্রেস নেতা রাসিদ আলভি বলেন, ‘চীন আমাদের শত্রু ছিল, রয়েছে ও থাকবে। রাহুল গান্ধী সবসময় বলেন যে, চীন আমাদের জমি দখল করেছে। প্রত্যেক কংগ্রেস নেতার সেটা মাথায় রাখা উচিত।’
কংগ্রেস নেতার মন্তব্যের জবাব দিতে দেরি করেনি গেরুয়া শিবির। বিজেপি মুখপাত্র তুহিন সিনহার তোপ, ‘কংগ্রেস আমলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৪০ হাজার বর্গ কিমি জমি দখল করেছে চীন। তবুও ওরা ড্রাগনের দেশকে বিপজ্জনক ভাবতে পারছে না। রাহুল গান্ধী চীনের প্রতি এতোটাই মুগ্ধ যে বেল্ট অ্যান্ড রোড প্রকল্পের পক্ষে সওয়াল করেছেন।’ বিজেপির এই দাবি মানতে নারাজ হাত শিবির। সেইসঙ্গে পিত্রোদার মন্তব্য থেকে দূরত্বও বাড়িয়েছে দল। কংগ্রেস নেতা রাসিদ আলভি বলেন, ‘চীন আমাদের শত্রু ছিল, রয়েছে ও থাকবে। রাহুল গান্ধী সবসময় বলেন যে, চীন আমাদের জমি দখল করেছে। প্রত্যেক কংগ্রেস নেতার সেটা মাথায় রাখা উচিত।’



