সংবাদদাতা, তেহট্ট: আবাস যোজনার টাকা কেন্দ্র আটকে দেওয়ায় ঘর পাওয়ার আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন পলাশীপাড়া থানার চকবিহারী গ্রামের হরিজনপল্লির বাসিন্দারা। এলাকার বেশিরভাগ মানুষই দিনমজুর। ঝাঁপের বেড়ার ঘরে কোনওরকমে দিন কাটাচ্ছিলেন তাঁরা। এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে ঘরের টাকা পেয়ে তাঁদের আশা পূর্ণ হচ্ছে। প্রথম দফায় ২০টি পরিবার এই প্রকল্পের টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় তাঁরা বেশ কিছুটা পাকা দেওয়াল তুলেছেন। রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তাঁরা।
Advertisement
চকবিহারী হরিজনপল্লি এলাকায় তপশিলি সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। এই এলাকার বেশিরভাগ মানুষ দিনমজুর। ছেলেমেয়ে নিয়ে ঝাঁপের বেড়ার দেওয়াল ও টালি বা টিনের চাল দেওয়া ঘরে তাঁরা বাস করেন। এর আগে দু’একজন প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছেন। তবে বেশিরভাগই তা পাননি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে একই পাড়ার ২০টি পরিবার বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা পেয়েছেন। এর মধ্যে বিরোধী দলের সমর্থকরাও রয়েছেন। ঘর পেয়ে তাঁরাও খুশি। রবীন সরকার নামে এক উপভোক্তা বলেন, এর আগে আবাস যোজনার তালিকায় আমার নাম ছিল। কেন্দ্র সেই টাকা বন্ধ করে দেওয়ায় ভেবেছিলাম, মাথার উপর আর ছাদ হবে না। কিন্তু বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আমাদের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। ঘর দেওয়া নিয়ে কোনও রাজনৈতিক রং দেখা হয়নি। বেশ কয়েকজন বিজেপি ও সিপিএম কর্মীও ঘর পেয়েছেন। এজন্য মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।
অপর এক উপভোক্তা বলেন, আমি বিজেপি করলেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা পেয়েছি। এবার যেভাবে টাকা দেওয়া হয়েছে, তাতে যোগ্য উপভোক্তারাই টাকা পেয়েছেন। আমার আশা, এলাকার বাকি বাসিন্দারাও টাকা পাবেন।
এবিষয়ে তৃণমূলের তেহট্ট-২ ব্লক সভাপতি দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, আমাদের সরকার যোগ্য উপভোক্তাদের প্রকল্পের টাকা দিয়েছে। রাজনৈতিক রং দেখেনি। এটাই আমাদের সরকারের ধর্ম।
অপর এক উপভোক্তা বলেন, আমি বিজেপি করলেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা পেয়েছি। এবার যেভাবে টাকা দেওয়া হয়েছে, তাতে যোগ্য উপভোক্তারাই টাকা পেয়েছেন। আমার আশা, এলাকার বাকি বাসিন্দারাও টাকা পাবেন।
এবিষয়ে তৃণমূলের তেহট্ট-২ ব্লক সভাপতি দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, আমাদের সরকার যোগ্য উপভোক্তাদের প্রকল্পের টাকা দিয়েছে। রাজনৈতিক রং দেখেনি। এটাই আমাদের সরকারের ধর্ম।



