Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশিকা নবান্নের

‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্প: ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশিকা নবান্নের
  • ২৪ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণের কারণে বাংলার প্রান্তিক মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাকাবাড়ির টাকা পাওয়া থেকে বঞ্চিত। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার নিজেদের কোষাগার থেকেই সেই টাকা দিচ্ছে। মানুষকে যাতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই টাকা পেতে কোনও ধরনের ঝক্কি পোহাতে না হয় বা একজনের টাকা অন্যের অ্যাকাউন্টে চলে না যায়, তা নিশ্চিত করতে চুড়ান্ত সতর্কতা অবলম্বন করল নবান্ন। আগামী ১৫ ডিসেম্বর থেকে ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের ন্যায্য প্রাপকদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু করবে রাজ্য। তার আগে প্রাপকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাই করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সূত্রের খবর, ন্যায্য প্রাপকদের সমস্ত তথ্য সম্মিলিত করার আগেই চূড়ান্ত সতর্কতা সহকারে তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে। কোনও উপভোক্তার আসল ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট এবং তালিকায় নামের সঙ্গে থাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নম্বরে কোনও অমিল আছে  কি না, তা যাচাই করে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অমিল পাওয়া গেলে টাকা ছাড়ার চূড়ান্ত ডেটাবেস তৈরির আগে তা ঠিক করে ফেলতে হবে জেলা প্রশাসনকে। 
Advertisement
পঞ্চায়েতমন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার জানিয়েছেন, একজন উপভোক্তারও যাতে তথ্য বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত জটিলতার কারণে টাকা পেতে দেরি না হয়  বা তাঁদের কোনওরকম হয়রানির মুখোমুখি হতে না হয়, সেই লক্ষ্যেই জেলা প্রশাসনকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, শুক্রবার প্রত্যেক জেলা প্রশাসনের কাছে পঞ্চায়েত দপ্তরের তরফে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। তাতে টাকা ছাড়ার প্রস্তুতি সংক্রান্ত কাজের নয়া সময়সূচির পাশাপাশি আরও চারটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। রাজ্যের এক আধিকারিকের মতে, এর মধ্যে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ হল টাকা ছাড়ার আগে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট যাচাইয়ের বিষয়টি। সেই সঙ্গে চূড়ান্ত তালিকা তৈরির সময় ডেটা এন্ট্রির ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে, যাতে কোনও উপভোক্তার নাম, আইডি, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরে গরমিল না ধরা পড়ে। কোনও ব্লক, গ্রাম পঞ্চায়েত বা গ্রামে উপভোক্তাদের সম্ভাব্য তালিকা থেকে চূড়ান্ত তালিকায় নথিভুক্তকরণ বা বাদ যাওয়ার হার রাজ্যের গড়ের নিরিখে অস্বাভাবিক হয়, সেখানে পুনর্যাচাই করতে হবে। যেসব ক্ষেত্রে আগেই পুনর্যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার কারণে সিদ্ধান্ত ‘হোল্ড’ রাখা হয়েছিল, সেগুলিও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ