সংবাদদাতা, কাটোয়া ও কাঁকসা: প্রয়াগরাজে মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানে গিয়ে চূড়ান্ত অব্যবস্থার মধ্যে পড়লেন বাংলার বহু মানুষ। এরাজ্যর বহু মানুষ স্নানে গিয়ে চূড়ান্ত নাকাল হলেন। কাঁকসার এক বৃদ্ধ নিখোঁজ হয়েছেন। অযোধ্যার বাসিন্দা বছর ৬১-র চিৎশরণ মণ্ডলের পরিবার দুশ্চিন্তায় ভুগছে। কাটোয়ার দুই বৃদ্ধা নিখোঁজ হয়েছিলেন। কারও দু’দিন ধরে সঙ্গীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল, কেউ আবার স্নানের পর নিখোঁজ হয়েছিলেন। বহু কষ্টে তাঁদের খোঁজ মিলেছে। চোখের সামনে পদপিষ্ট হতে দেখে আর কুম্ভে যেতে চাইছেন না কাটোয়ার বহু যুবক। যোগীরাজ্যের পুলিস ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুরোপুরি ব্যর্থ, তা টের পেয়েছেন কাটোয়ার বহু বাসিন্দা।
Advertisement
গত মঙ্গলবার ভোরে বিভীষিকার মধ্যে পড়েছিলেন কাটোয়ার বেশ কয়েকজন যুবক। তাঁরা চোখের সামনে মহাকুম্ভের বিপর্যয় দেখেছেন। পাঁচজন যুবক চারচাকা গাড়ি নিয়ে মহাকুম্ভে গিয়েছিলেন। তাঁদের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরতে হয়েছে। কাটোয়ার ব্যবসায়ী সৌরভ সরকার বলেন, এবার প্রথম গিয়েছিলাম মহাকুম্ভে। কিন্তু মঙ্গলবার রাত দেড়টা থেকে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। সেখানকার পুলিস শুধু হুইসল বাজানো ছাড়া আর কিছুই করেনি। চোখের সামনে দেখছি অসহায় মানুষ পদপিষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কেউ কারও ঘাড়ে পড়ে যাচ্ছে। এখান ওখানে বহু মানুষের ব্যাগ, জামা কাপড় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। পুলিস আগে থেকে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করলে হয়তো এমনটা ঘটত না। কাটোয়া পুরসভার অস্থায়ী কর্মী সুমন ঘোষ বলেন, আমি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলাম। খুব কষ্টে উঠেছি। এমনিতেই আমার শরীর খারাপ। তারউপর ওইরকম ভিড়ের সম্মুখীন হয়েছি। আর কখনও যাব না।
মঙ্গলবার কাঁকসা থেকে ট্রেন ধরে প্রয়াগরাজ গিয়েছিল আটজনের একটি দল। ওই দলেই ছিলেন পেশায় সব্জি ব্যবসায়ী চিৎশরণবাবু। কিন্তু বুধবার দুপুর থেকে তিনি দলের বাকিদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁর মোবাইল সুইচড অফ রয়েছে। তাঁর ছেলে সুকান্ত মণ্ডল বলেন, বুধবার স্নানের পর স্টেশনে টিকিট কাটতে এসেছিল। দুপুরে বাবা নিখোঁজ হয়ে যায়। তার আগে দুপুর ২টোর সময়ও বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল। আমরা সবাই খুব চিন্তিত। কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। চিৎশরণবাবুর সঙ্গে যাওয়া গৌর মণ্ডল বলেন, সারাদিন খুঁজেছি। কিন্তু চিৎশরণবাবুর সন্ধান পাইনি। ভিড়ের মধ্যে পড়ে কাটোয়ার দুই বৃদ্ধা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। কাটোয়ার মনসাপাড়ার বাসিন্দা বছর ৭০-এর ভারতীবালা ঘোষ স্নান সেরে ওঠার পর সঙ্গীদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। বৃহস্পতিবার তাঁর পরিবারের সদস্যরা কাটোয়া থানায় মিসিং ডায়েরিও করেন। সেখানকার একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন এদিনই তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেয়। তাঁর ছেলে বিজয়কুমার ঘোষ মাকে খুঁজতে রওনা দিয়েছিলেন। তিনি ফোনে বলেন, মাকে একদিন পর খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিল। সোমবার চারটি বাসে ১৫০জন কাটোয়া থেকে মহাকুম্ভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই গিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধা। এদিকে বহু কষ্টে টাকা জোগাড় করে মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানের উদ্দ্যেশে যাত্রা করেছিলেন কাটোয়ার সুদপুরের প্রৌঢ়া আল্পনা হালদার। তাঁরা ২৪ জানুয়ারি মহাকুম্ভে যান। প্রয়াগরাজ স্টেশন থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাচ্ছিলেন না সঙ্গী ও পরিবারের সদস্যরা। কাটোয়া থানা সেখানকার পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বুধবার তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়।
মঙ্গলবার কাঁকসা থেকে ট্রেন ধরে প্রয়াগরাজ গিয়েছিল আটজনের একটি দল। ওই দলেই ছিলেন পেশায় সব্জি ব্যবসায়ী চিৎশরণবাবু। কিন্তু বুধবার দুপুর থেকে তিনি দলের বাকিদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তাঁর মোবাইল সুইচড অফ রয়েছে। তাঁর ছেলে সুকান্ত মণ্ডল বলেন, বুধবার স্নানের পর স্টেশনে টিকিট কাটতে এসেছিল। দুপুরে বাবা নিখোঁজ হয়ে যায়। তার আগে দুপুর ২টোর সময়ও বাবার সঙ্গে কথা হয়েছিল। আমরা সবাই খুব চিন্তিত। কী করব বুঝে উঠতে পারছি না। চিৎশরণবাবুর সঙ্গে যাওয়া গৌর মণ্ডল বলেন, সারাদিন খুঁজেছি। কিন্তু চিৎশরণবাবুর সন্ধান পাইনি। ভিড়ের মধ্যে পড়ে কাটোয়ার দুই বৃদ্ধা নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিলেন। কাটোয়ার মনসাপাড়ার বাসিন্দা বছর ৭০-এর ভারতীবালা ঘোষ স্নান সেরে ওঠার পর সঙ্গীদের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিলেন। পরিবারের সদস্যরা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। বৃহস্পতিবার তাঁর পরিবারের সদস্যরা কাটোয়া থানায় মিসিং ডায়েরিও করেন। সেখানকার একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন এদিনই তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেয়। তাঁর ছেলে বিজয়কুমার ঘোষ মাকে খুঁজতে রওনা দিয়েছিলেন। তিনি ফোনে বলেন, মাকে একদিন পর খুঁজে পাওয়া গিয়েছে। ভিড়ে হারিয়ে গিয়েছিল। সোমবার চারটি বাসে ১৫০জন কাটোয়া থেকে মহাকুম্ভের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। তাঁদের সঙ্গেই গিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধা। এদিকে বহু কষ্টে টাকা জোগাড় করে মহাকুম্ভে পুণ্যস্নানের উদ্দ্যেশে যাত্রা করেছিলেন কাটোয়ার সুদপুরের প্রৌঢ়া আল্পনা হালদার। তাঁরা ২৪ জানুয়ারি মহাকুম্ভে যান। প্রয়াগরাজ স্টেশন থেকে তাঁকে আর খুঁজে পাচ্ছিলেন না সঙ্গী ও পরিবারের সদস্যরা। কাটোয়া থানা সেখানকার পুলিসের সঙ্গে যোগাযোগ করে। বুধবার তাঁকে খুঁজে পাওয়া যায়।



