নয়াদিল্লি: নিন্দুকরা হামেশাই ‘চোরে চোরে মাসতুতো ভাই’ বলে খোঁচা দেন। তাতে কী! ফেরার ধনকুবের বিজয় মালিয়া ও ললিত মোদির ‘দোস্তি’ চোখ এড়াচ্ছে না নেটিজেনদের। এক্স হ্যান্ডলে মালিয়াকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রতিষ্ঠাতা। ললিত লিখেছেন, ‘জীবনের ওঠা-পড়া কী, আমরা দু’জনেই তা দেখেছি।’ জবাবে ‘প্রিয় বন্ধু’কে মালিয়া লিখেছেন, ‘আমরা দু’জনেই দেশের প্রতি অবদান রাখার
Advertisement
চেষ্টা করেছি। কিন্তু সেই দেশেই আমাদের সঙ্গে
অন্যায় হয়েছে।’
কিন্তু কেমন অন্যায়? সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্টে তার ‘ব্যাখ্যা’ দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন বিজয় মালিয়া। লিখেছেন, ‘কিংফিশার এয়ারলাইন্সের ৬ হাজার ২০৩ কোটি টাকা ঋণের পরিবর্তে আমার কাছ থেকে ১৪ হাজার ১৩১ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও আমি এখনও আর্থিক অপরাধী। ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) ও ব্যাঙ্কগুলি কীভাবে ঋণের অঙ্কের দ্বিগুণেরও বেশি টাকা আদায় করতে পারে আইনত তার কোনও সদুত্তর নেই। সেই উত্তর না মেলা পর্যন্ত (আদালতে) রেহাই প্রাপ্য আমার। তা আদায়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাব।’ শুধু ইডি নয়, তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই মামলাগুলির যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মালিয়া। ফেরার এই ব্যবসায়ী লিখেছেন, ‘আইডিবিআই ব্যাঙ্কের একাধিক কর্তা ও অন্যান্যদের সঙ্গে আমার নামেও সিবিআই অভিযোগ রয়েছে। আইডিবিআই ব্যাঙ্ক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ৯০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ। যদিও নিয়ম মেনে সেই ঋণ অনুমোদন করেছিল ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কমিটি ও বোর্ড। সুদ সহ ঋণের পুরো টাকা মেটানো হয়ে গিয়েছে। ৯ বছর পরও কেন প্রতারণা ও তহবিল অপব্যবহারের চূড়ান্ত কোনও প্রমাণ নেই?’
ঘটনাচক্রে, দু’দিন আগেই আর্থিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁদ দাবি ছিল, ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে ইডি মোট ২২ হাজার ২৮০ কোটি টাকার সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করেছে। তার মধ্যে ফেরার ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়ার ১৪ হাজার ১৩১.৬ কোটি টাকা বাজারমূল্যের সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে সরকারি ব্যাঙ্কগুলির জন্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় পাল্টা প্রশ্ন তুললেন মালিয়াও।
অন্যায় হয়েছে।’
কিন্তু কেমন অন্যায়? সোশ্যাল মিডিয়ায় একের পর এক পোস্টে তার ‘ব্যাখ্যা’ দেওয়ারও চেষ্টা করেছেন বিজয় মালিয়া। লিখেছেন, ‘কিংফিশার এয়ারলাইন্সের ৬ হাজার ২০৩ কোটি টাকা ঋণের পরিবর্তে আমার কাছ থেকে ১৪ হাজার ১৩১ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও আমি এখনও আর্থিক অপরাধী। ইডি (এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট) ও ব্যাঙ্কগুলি কীভাবে ঋণের অঙ্কের দ্বিগুণেরও বেশি টাকা আদায় করতে পারে আইনত তার কোনও সদুত্তর নেই। সেই উত্তর না মেলা পর্যন্ত (আদালতে) রেহাই প্রাপ্য আমার। তা আদায়ের লক্ষ্যে ঝাঁপাব।’ শুধু ইডি নয়, তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই মামলাগুলির যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মালিয়া। ফেরার এই ব্যবসায়ী লিখেছেন, ‘আইডিবিআই ব্যাঙ্কের একাধিক কর্তা ও অন্যান্যদের সঙ্গে আমার নামেও সিবিআই অভিযোগ রয়েছে। আইডিবিআই ব্যাঙ্ক থেকে প্রতারণার মাধ্যমে ৯০০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার অভিযোগ। যদিও নিয়ম মেনে সেই ঋণ অনুমোদন করেছিল ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কমিটি ও বোর্ড। সুদ সহ ঋণের পুরো টাকা মেটানো হয়ে গিয়েছে। ৯ বছর পরও কেন প্রতারণা ও তহবিল অপব্যবহারের চূড়ান্ত কোনও প্রমাণ নেই?’
ঘটনাচক্রে, দু’দিন আগেই আর্থিক অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তাঁদ দাবি ছিল, ঋণখেলাপিদের কাছ থেকে ইডি মোট ২২ হাজার ২৮০ কোটি টাকার সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করেছে। তার মধ্যে ফেরার ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়ার ১৪ হাজার ১৩১.৬ কোটি টাকা বাজারমূল্যের সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করা হয়েছে সরকারি ব্যাঙ্কগুলির জন্য। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় পাল্টা প্রশ্ন তুললেন মালিয়াও।



