লস এঞ্জেলস: দাবানলে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে লস এঞ্জেলসের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। ১২ হাজারের বেশি বাড়ি গ্রাস করেছে আগুনের লেলিহান শিখা। মুহূর্তের মধ্যে ঘরছাড়া হয়েছেন দেড় লক্ষের বেশি মানুষ। এতো কিছুর পরেও আগুনের হাত থেকে বেঁচে গিয়েছে মালিবুর একটি চারতলা বাড়ি। অথচ আশেপাশে থাকা সবকিছু ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তবে প্রাসাদোপম বাড়িটি অক্ষত রয়েছে। এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই হতবাক নেট দুনিয়া। বিশেষজ্ঞদের দাবি, উন্নত পরিকাঠামোর কারণেই আগুনের হাত থেকে রেহাই পেয়েছে বাড়িটি। প্রাকৃতিক দুর্যোগে ইতিমধ্যে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
Advertisement
দাবানলের খবর পেতেই ডেভিড স্টেইনারের বুকটা কেঁপে উঠেছিল। তাঁর সাধের বাড়ির চারপাশে শুধুই কালো ধোঁয়া। ভেবেছিলেন সব শেষ। কিন্তু পরে ঘর অক্ষত থাকার খবর পেয়ে রীতিমতো অবাক হয়ে যান ওই ধনকুবের। নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ডেভিড বলেন, ‘ভেবেছিলাম সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যাবে। আগুন নিভতেই একাধিক ছবি আসতে থাকে। তাতে দেখলাম, গোটা এলাকায় একমাত্র আমাদের বাড়ি অক্ষত রয়েছে। মনটা ভালো হয়ে গেল।’ সাধারণত ক্যালিফর্নিয়ার উপকূলে অধিকাংশ বাড়ি কাঠ দিয়ে তৈরি। এক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি। মালিবুর এই প্রাসাদ নির্মাণ করা হয়েছিল মূলত পাথর দিয়ে। ছাদও ‘ফায়ার প্রুফ’। বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিকাঠামোর জন্যই ডেভিডের বাড়ির কোনও ক্ষতি হয়নি।
ঝোড়ো হাওয়ার জেরে আগুন নেভাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে দমকলকে। দিনরাত কাজ করছেন প্রায় ১৫ হাজার দমকলকর্মী। এই আবহে নিজেদের বাড়ি অক্ষত রাখতে ব্যক্তিগত দমকল পরিষেবার সুবিধা নিচ্ছেন বহু ধনকুবের। তার জন্য অবশ্য পকেট থেকে প্রতি ঘণ্টায় মোটা টাকা বের করে দিতে হচ্ছে। ২ হাজার মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা! বেসরকারি এই সংস্থাগুলির কাছে রয়েছে উন্নত সরঞ্জাম, জলের ট্যাঙ্ক ও দক্ষ দমকলকর্মী। ২০১৮ সালে সম্পত্তি বাঁচাতে ব্যক্তিগত দমকলের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কিম কার্দাশিয়ান।
ঝোড়ো হাওয়ার জেরে আগুন নেভাতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে দমকলকে। দিনরাত কাজ করছেন প্রায় ১৫ হাজার দমকলকর্মী। এই আবহে নিজেদের বাড়ি অক্ষত রাখতে ব্যক্তিগত দমকল পরিষেবার সুবিধা নিচ্ছেন বহু ধনকুবের। তার জন্য অবশ্য পকেট থেকে প্রতি ঘণ্টায় মোটা টাকা বের করে দিতে হচ্ছে। ২ হাজার মার্কিন ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা! বেসরকারি এই সংস্থাগুলির কাছে রয়েছে উন্নত সরঞ্জাম, জলের ট্যাঙ্ক ও দক্ষ দমকলকর্মী। ২০১৮ সালে সম্পত্তি বাঁচাতে ব্যক্তিগত দমকলের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কিম কার্দাশিয়ান।



