মুম্বই, ২ নভেম্বর: বড়সড় পদক্ষেপ নিল মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। কুখ্যাত গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের ভাই আনমোলকে ভারতে ফেরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল তারা।
Advertisement
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে সলমন খানের বাড়ির বাইরে গুলি চালানোর ঘটনায় নাম উঠে আসে আনমোলের। জানা যায়, সলমনের বাড়ির বাইরে হামলার পিছনে মাথা ছিল তাঁরই। তাই আনমোলের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
সূত্রের খবর, গতকাল, আনমোলের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় একটি ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে মহারাষ্ট্রের নিম্ন আদালত। আর সেই ওয়ারেন্টের উপর ভিত্তি করেই আনমোলকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
অন্যদিকে, মুম্বই পুলিস ছাড়াও আনমোলকে খুঁজছে এনআইএ-ও। ২০২২ সালের দু’টি মামলায় অভিযুক্ত আনমোলকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার গত মাসেই ঘোষণা করেছে এনআইএ।
মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত আনমোল আপাতত আমেরিকাতেই রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে অন্তত এমনটাই জানতে পেরেছে ভারত। তারপর থেকেই তাকে দেশে ফেরাতে তৎপরতা দেখাচ্ছে মুম্বই পুলিস। শুধুই সলমনের উপর হামলা নয়, এনসিপি (অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী) নেতা বাবা সিদ্দিকি খুনেও নাম জড়িয়েছে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের। যদিও তাদের মূল মাথা অর্থাৎ লরেন্স বিষ্ণোই গুজরাতের সবরমতি জেলে বন্দি। পুলিস জানতে পেরেছে, লরেন্সের অনুপস্থিতিতে গ্যাংয়ের যাবতীয় কাজকর্ম দেখছেন আনমোলই। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এই প্রত্যর্পণের বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দাদেরও সহযোগিতা পাচ্ছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ বলে খবর।
সূত্রের খবর, গতকাল, আনমোলের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় একটি ওয়ারেন্ট ইস্যু করেছে মহারাষ্ট্রের নিম্ন আদালত। আর সেই ওয়ারেন্টের উপর ভিত্তি করেই আনমোলকে ভারতে প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।
অন্যদিকে, মুম্বই পুলিস ছাড়াও আনমোলকে খুঁজছে এনআইএ-ও। ২০২২ সালের দু’টি মামলায় অভিযুক্ত আনমোলকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ১০ লক্ষ টাকা আর্থিক পুরস্কার গত মাসেই ঘোষণা করেছে এনআইএ।
মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকাভুক্ত আনমোল আপাতত আমেরিকাতেই রয়েছে। মার্কিন গোয়েন্দা সূত্রে অন্তত এমনটাই জানতে পেরেছে ভারত। তারপর থেকেই তাকে দেশে ফেরাতে তৎপরতা দেখাচ্ছে মুম্বই পুলিস। শুধুই সলমনের উপর হামলা নয়, এনসিপি (অজিত পাওয়ার গোষ্ঠী) নেতা বাবা সিদ্দিকি খুনেও নাম জড়িয়েছে বিষ্ণোই গ্যাংয়ের। যদিও তাদের মূল মাথা অর্থাৎ লরেন্স বিষ্ণোই গুজরাতের সবরমতি জেলে বন্দি। পুলিস জানতে পেরেছে, লরেন্সের অনুপস্থিতিতে গ্যাংয়ের যাবতীয় কাজকর্ম দেখছেন আনমোলই। তাই তাকে গ্রেপ্তার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এই প্রত্যর্পণের বিষয়ে মার্কিন গোয়েন্দাদেরও সহযোগিতা পাচ্ছে মুম্বই পুলিসের ক্রাইম ব্রাঞ্চ বলে খবর।



