নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: শুক্রবার দুপুরে লঞ্চ থেকে মাঝগঙ্গায় ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন এক যুবক। তবে লঞ্চের ‘জলসাথী’ কর্মীদের তৎপরতায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে ৩৮ বছর বয়সের ওই যুবককে। এরপর তাঁকে নিয়ে আসা হয় হাওড়ার গোলাবাড়ি ঘাটে। সেখানে তাঁকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পুলিস জানিয়েছে, বর্ধমানের বাসিন্দা ওই যুবকের নাম অর্ণব চট্টোপাধ্যায়।
Advertisement
জানা গিয়েছে, এদিন দুপুরে জেঠু-জেঠিমার সঙ্গে কলকাতায় এসেছিলেন অর্ণববাবু। কলকাতার বাগবাজার ঘাট থেকে হাওড়ার গোলাবাড়ি ঘাটে আসার জন্য লঞ্চে ওঠেন তাঁরা। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, আচমকাই ওই যুবক মাঝগঙ্গায় ঝাঁপ দেন। লঞ্চের দু’জন ‘জলসাথী’ কর্মী গঙ্গায় নেমে তাঁকে কোনওরকমে প্রাণে বাঁচায়। এরপর লঞ্চে করেই তাঁকে গোলাবাড়ি ঘাটে নিয়ে আসা হয়। উদ্ধার হওয়ার পর অর্ণব বলেন, ‘আমি সুস্থ আছি। বাড়ি ফিরতে চাই।’
পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, মানসিক অবসাদের কারণেই ওই যুবক আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। বেশ কিছুক্ষণ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। হুগলি নদী জলপথ পরিবহন সমিতির ডিরেক্টর অজয় দে বলেন, ‘কর্মীদের তৎপরতায় ওই যুবক প্রাণে বেঁচেছেন।’
অন্যদিকে, কলকাতার নর্থপোর্ট থানার গঙ্গার ছাতুবাবু ঘাট থেকে নিথর অবস্থায় সালকিয়ার বাসিন্দা নীতেশ সাউকে (২০) উদ্ধার করে কলকাতা পুলিসের ডিএমজি। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে স্নান করতে গিয়ে গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছিল ওই যুবক।
পুলিসের প্রাথমিক অনুমান, মানসিক অবসাদের কারণেই ওই যুবক আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। বেশ কিছুক্ষণ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়। হুগলি নদী জলপথ পরিবহন সমিতির ডিরেক্টর অজয় দে বলেন, ‘কর্মীদের তৎপরতায় ওই যুবক প্রাণে বেঁচেছেন।’
অন্যদিকে, কলকাতার নর্থপোর্ট থানার গঙ্গার ছাতুবাবু ঘাট থেকে নিথর অবস্থায় সালকিয়ার বাসিন্দা নীতেশ সাউকে (২০) উদ্ধার করে কলকাতা পুলিসের ডিএমজি। পরে তাঁকে উদ্ধার করে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে স্নান করতে গিয়ে গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছিল ওই যুবক।



