Bartaman Logo
১৩ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

লক্ষ্য জেলার অর্থনীতি চাঙ্গা করা স্টার্ট আপে জোর প্রশাসনের 

লক্ষ্য জেলার অর্থনীতি চাঙ্গা করা স্টার্ট আপে জোর প্রশাসনের 
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: জেলার অর্থনীতি চাঙ্গা করাই প্রশাসনের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে এবার স্টার্ট আপে জোর দেওয়া হবে। স্টার্ট আপের মাধ্যমেই আগামী দিনে জেলার অর্থনীতিতে বিপ্লব আসবে বলে মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের আদৌ কোনও ভূমিকা রয়েছে? ভূমিকা থাকলে তাঁরা কীভাবে সেই কাজ করবেন? স্টার্ট-আপ কী? এসব নিয়ে বীরভূম ও পূর্ব বর্ধমান জেলার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সহ সভাপতিদের বিশেষ পাঠ দিতে প্রশিক্ষণ শিবির শুরু হল। সোমবার থেকে বোলপুরের রাইপুরে শুরু হওয়া এই শিবির শুক্রবার পর্যন্ত চলবে। তবে শুধু স্টার্ট আপ নয়, সেইসঙ্গে প্রশাসনিক কাজকর্মে সকলকে সড়গড় করতেও প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বীরভূম জেলা পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের তরফে টানা পাঁচদিন এই প্রশিক্ষণ শিবির চলবে। দুই জেলার মোট ৪২জন সভাপতি ও সহ সভাপতিকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। বিভিন্ন দপ্তরের প্রশাসনিক কাজকর্ম কীভাবে হয়, তা নিয়ে পাঠদান শুরু হয়েছে। যাঁরা কিছুটা কাজ জানেন, তাঁরা সেই কাজ কীভাবে আরও ভালোভাবে করতে পারবেন তাও শেখানো হচ্ছে। চার দেওয়ালের ভিতর শুধু ‘থিওরি’ ক্লাসেই প্রশিক্ষণ সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রশিক্ষণরত সভাপতি ও সহ সভাপতিদের ফিল্ড ভিজিটও করানো হবে। প্রশিক্ষণের প্রথমদিন বীরভূম জেলার ১২জন সভাপতি ও ১২জন সহ-সভাপতি উপস্থিত হয়েছিলেন। পূর্ব বর্ধমানের ১৪জন সভাপতি ও ১৫ জন সহ সভাপতিও প্রশিক্ষণ নিতে উপস্থিত হয়েছিলেন। পাঁচদিনের এই প্রশিক্ষণ শিবির থেকে দুই জেলার একজন সভাপতি ও  সহ সভাপতিও যাতে বাদ না যান, তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। প্রশিক্ষণ পর্বে শামিল হওয়ার জন্য প্রত্যেককে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এমনকী ফোন করার পাশাপাশি বিডিওদের মাধ্যমেও খবর পাঠানো হয়েছে।
Advertisement
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, কেউ কেউ প্রশাসনিক কাজকর্ম কিছুটা জানলেও অনেকেই তা জানেন না। এরই মাঝে ব্লকস্তরের উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। সেক্ষেত্রে ম্যানেজমেন্ট ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের আওতায় দুই জেলার সভাপতি ও সহ সভাপতিদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ শুরু হল। এই প্রশিক্ষণে প্রশাসনিক কাজকর্ম শেখানোর পাশাপাশি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের বিষয়েও পাঠদান করা হবে। সকলকে হাতে-কলমে প্রশাসনিক কাজকর্মের পাঠ দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে একটি বেসরকারি সংস্থা বিশেষ দায়িত্ব পালন করছে।
দপ্তরের আধিকারিক সুচেতনা দাস বলেন, বীরভূমের বিভিন্ন প্রান্তিক জেলা থেকে বহু জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। বহু জায়গায় সেভাবে শিক্ষার প্রসার এখনও ঘটেনি। সেক্ষেত্রে এধরনের প্রশিক্ষণ যত বেশি হবে, তত বেশি পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে সকলে সড়গড় হবেন। তাঁদের জ্ঞান বাড়বে। পাশাপাশি জনসংযোগের কাজে তাঁরা আরও নিপুণ হবেন। এতে উন্নয়নের কাজ আরও গতি পাবে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ