নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ‘এক দেশ এক ভোট’ নিয়ে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তে যখন তোলপাড় দেশের রাজনৈতিক মহল, তখন রাজ্যের ক্ষেত্রেও অন্য একটি আশঙ্কা দেখছে তৃণমূল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) পদে বিজেপি ‘নিজের আস্থাভাজন’ ব্যক্তিকে বসানোর তোড়জোড় করছে বলে তথ্য পাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল। এই প্রেক্ষাপটেই তৃণমূল সরব হয়েছে, নতুন যিনি সিইও হবেন, তিনি নিরপেক্ষভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করবেন। তবে বিজেপির পাল্টা অভিযোগ, বাংলার ভোটকে প্রহসনে পরিণত করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় রাজ্যের শাসক দল আস্থা রাখতে পারে না।
Advertisement
বস্তুত, গোটা দেশের রাজনীতিবিদদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন ‘এক দেশ এক ভোট’। এই সংক্রান্ত বিল সংসদে পেশ করেছে মোদি সরকার। সেটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে আগেই। ‘এক ভোট’ ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী বলে আওয়াজ তুলেছে বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। কেন্দ্র কী ধরনের পদক্ষেপ করতে চাইছে, তা নিয়ে বিস্তর চর্চা চলছে দেশজুড়ে। রাজনীতিবিদরা মনে করছেন, গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করতে চাইছে মোদি সরকার। এই অবকাশেই চর্চার কেন্দ্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী সিইওর প্রসঙ্গ। বর্তমান সিইওর মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩১ ডিসেম্বর। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এ। তাই এরপর ওই পদে কে আসবেন, তা নিয়ে কৌতূহলী সংশ্লিষ্ট মহল।
তৃণমূল বলছে, সাধারণ মানুষের উপর ভরসা নেই বিজেপির। তাই এতদিন ইডি, সিবিআইকে ব্যবহার করে ভোটে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, সেটাও চাইছে না তারা। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, কেন্দ্রে ক্ষমতায় আছে বিজেপি। ফলে তারা নানা ধরনের প্লট তৈরি করছে। অনেক জায়গা থেকেই খবর আসছে নির্বাচন কমিশনে তাদের লোক বসানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি। যেহেতু সাধারণ মানুষ বিজেপির উপর আস্থা রাখবেন না, তাই ওরা নানারকম বাঁকা পথ খুঁজছে। বর্তমান সিইওর ভূমিকা ইতিবাচক ও নিরপেক্ষ ছিল। যদিও বিজেপির অভিযোগ, বাংলায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে করতে দেয় না তৃণমূল। এই জমানায় ভোটে সন্ত্রাসের কাহিনি সকলের জানা। তার উপর চলে হুমকি এবং ভীতি প্রদর্শন। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, আমাদের রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক ‘কুমোরটুলির অসুরের দ্বিতীয় সংস্করণ’। তাঁর ব্যক্তিত্ব, কর্মদক্ষতা কুমোরটুলির অসুরের সঙ্গেই তুলনীয়। এছাড়া স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া তৃণমূলের কাছে মানুষ আর প্রত্যাশা করে না। আমরা কোনও সিইও’র রাজনীতিকরণ চাই না।
তৃণমূল বলছে, সাধারণ মানুষের উপর ভরসা নেই বিজেপির। তাই এতদিন ইডি, সিবিআইকে ব্যবহার করে ভোটে ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে, সেটাও চাইছে না তারা। তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, কেন্দ্রে ক্ষমতায় আছে বিজেপি। ফলে তারা নানা ধরনের প্লট তৈরি করছে। অনেক জায়গা থেকেই খবর আসছে নির্বাচন কমিশনে তাদের লোক বসানোর পরিকল্পনা করছে বিজেপি। যেহেতু সাধারণ মানুষ বিজেপির উপর আস্থা রাখবেন না, তাই ওরা নানারকম বাঁকা পথ খুঁজছে। বর্তমান সিইওর ভূমিকা ইতিবাচক ও নিরপেক্ষ ছিল। যদিও বিজেপির অভিযোগ, বাংলায় নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্বচ্ছভাবে করতে দেয় না তৃণমূল। এই জমানায় ভোটে সন্ত্রাসের কাহিনি সকলের জানা। তার উপর চলে হুমকি এবং ভীতি প্রদর্শন। বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যের কথায়, আমাদের রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক ‘কুমোরটুলির অসুরের দ্বিতীয় সংস্করণ’। তাঁর ব্যক্তিত্ব, কর্মদক্ষতা কুমোরটুলির অসুরের সঙ্গেই তুলনীয়। এছাড়া স্বচ্ছ নির্বাচনী প্রক্রিয়া তৃণমূলের কাছে মানুষ আর প্রত্যাশা করে না। আমরা কোনও সিইও’র রাজনীতিকরণ চাই না।



