নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ‘গল্পে ছিল, রাজা পোশাক বদলে বদলে সমাজে তাঁর নামে কী আলোচনা হচ্ছে, তা জানতে প্রজাদের মধ্যে যেতেন। এখনকার রাজা পোশাক তো বদলান। সে শখ তাঁর আছে খুব। কিন্তু জনতার মাঝে যাওয়ার সাহস নেই।’ শুক্রবার সংসদে ৩২ মিনিটের প্রথম বক্তৃতাতেই নজর কাড়লেন ইন্দিরা পৌত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। নরেন্দ্র মোদির নাম না করেও বুঝিয়ে দিলেন, কোন ‘রাজা’র কথা বলছেন। শান্ত অথচ নিশ্চিত লক্ষ্যে সমালোচনার ছুরি চালালেন প্রিয়াঙ্কা।
Advertisement
সংবিধান গ্রহণের ৭৫ বছরের আলোচনা আরম্ভ করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। পাশের আসনে অমিত শাহ। প্রধানমন্ত্রীর আসন খালি। এলেনই না। সুযোগ পেয়ে প্রিয়াঙ্কার কটাক্ষ, সংসদে তো প্রধানমন্ত্রী একদিন মাত্র ১০ মিনিটের জন্য এসেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদে সংবিধানে মাথা ঠেকিয়ে সম্মান দেখান। কিন্তু বাস্তবে অবমাননা করেন। বিভাজনকারী নীতিতে চলেন।
কংগ্রেসকে কাঠগড়ার দাঁড় করাতে রাজনাথ সিং তুলেছিলেন ইন্দিরার জারি করা জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ। বার বার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে বিভিন্ন রাজ্য সরকার ভাঙার অভিযোগ। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি রক্ষা করেছেন সংবিধানের পবিত্রতা। মোদিকালের ঢাক পেটান প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
সুযোগ পেয়ে প্রিয়াঙ্কাও টানেন মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, গোয়ার মতো রাজ্যের প্রসঙ্গ। বলেন, আমিও তাহলে মনে করিয়ে দিই, কীভাবে অর্থের অপব্যবহারে সরকার ফেলেন আপনারা? কীভাবে আমাদের লোকদের ভাঙান। এদিকে থাকলেই দুর্নীতিগ্রস্ত, আর আপনাদের দিকে গেলেই স্বচ্ছতা? ওয়াশিং মেশিন? ট্রেজারি বেঞ্চ তখন গালে হাত অমিত শাহের। বিজেপিও চুপ।
প্রিয়াঙ্কা বলে চলেন, জরুরি অবস্থার জন্য তো ক্ষমা চাওয়া হয়েছিল। আপনারা তা দেখে শিখেছেন কিছু? অতীত ছেড়ে বর্তমানের কথা বলুন। সবেতেই আপনারা নেহরুর দোষ দেখেন। তবে যতই নেহরুকে মুছে ফেলার চেষ্টা করুন, পারবেন না। কারও দোষ না দেখে নিজেরা কী করেছেন বলুন। এবং এও শুনে রাখুন, যতই সংবিধান বদলানোর উদ্যোগ নিন, আমরা তা হতে দেব না। সংবিধানই সেই শক্তি দিয়েছে। প্রতিবাদের শক্তি। অধিকারের শক্তি।
বাহবা দিতে বোনকে স্নেহচুম্বন করেন রাহুল। আর লোকসভার গ্যালারিতে বসা মা সোনিয়া, স্বামী-পুত্র রবার্ট, রিহানের মুখে দেখা গেল গর্বের হাসি। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে চোখাচুখি হতেই রাজনাথ সিং দেখালেন ‘থামস আপ।’ কৃতজ্ঞতা প্রকাশে প্রিয়াঙ্কা করলেন দু’হাত জড়ো করে নমস্কার।
প্রিয়াঙ্কার বক্তৃতায় নজর ছিল সংবিধান ভবনে বিজেপির দলীয় কার্যালয়েও। সংসদ টিভিতে চোখ রেখে অফিস কর্মীরা গিলেছেন প্রিয়াঙ্কার বক্তৃতা। সংসদের নিরাপত্তা রক্ষী থেকে ক্যান্টিন বয়, এমপিদের পিএ থেকে সংসদীয় কার্যালয় কর্মী— প্রায় প্রত্যেকেই টিভিতে কিংবা মোবাইলে চোখ রেখে শুনেছেন প্রিয়াঙ্কার ভাষণ। কারও মুখে
ফুটল হাসি। কেউ বললেন, এ তো দেখি ইন্দিরা!
কংগ্রেসকে কাঠগড়ার দাঁড় করাতে রাজনাথ সিং তুলেছিলেন ইন্দিরার জারি করা জরুরি অবস্থার প্রসঙ্গ। বার বার রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করে বিভিন্ন রাজ্য সরকার ভাঙার অভিযোগ। কিন্তু নরেন্দ্র মোদি রক্ষা করেছেন সংবিধানের পবিত্রতা। মোদিকালের ঢাক পেটান প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
সুযোগ পেয়ে প্রিয়াঙ্কাও টানেন মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, গোয়ার মতো রাজ্যের প্রসঙ্গ। বলেন, আমিও তাহলে মনে করিয়ে দিই, কীভাবে অর্থের অপব্যবহারে সরকার ফেলেন আপনারা? কীভাবে আমাদের লোকদের ভাঙান। এদিকে থাকলেই দুর্নীতিগ্রস্ত, আর আপনাদের দিকে গেলেই স্বচ্ছতা? ওয়াশিং মেশিন? ট্রেজারি বেঞ্চ তখন গালে হাত অমিত শাহের। বিজেপিও চুপ।
প্রিয়াঙ্কা বলে চলেন, জরুরি অবস্থার জন্য তো ক্ষমা চাওয়া হয়েছিল। আপনারা তা দেখে শিখেছেন কিছু? অতীত ছেড়ে বর্তমানের কথা বলুন। সবেতেই আপনারা নেহরুর দোষ দেখেন। তবে যতই নেহরুকে মুছে ফেলার চেষ্টা করুন, পারবেন না। কারও দোষ না দেখে নিজেরা কী করেছেন বলুন। এবং এও শুনে রাখুন, যতই সংবিধান বদলানোর উদ্যোগ নিন, আমরা তা হতে দেব না। সংবিধানই সেই শক্তি দিয়েছে। প্রতিবাদের শক্তি। অধিকারের শক্তি।
বাহবা দিতে বোনকে স্নেহচুম্বন করেন রাহুল। আর লোকসভার গ্যালারিতে বসা মা সোনিয়া, স্বামী-পুত্র রবার্ট, রিহানের মুখে দেখা গেল গর্বের হাসি। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে চোখাচুখি হতেই রাজনাথ সিং দেখালেন ‘থামস আপ।’ কৃতজ্ঞতা প্রকাশে প্রিয়াঙ্কা করলেন দু’হাত জড়ো করে নমস্কার।
প্রিয়াঙ্কার বক্তৃতায় নজর ছিল সংবিধান ভবনে বিজেপির দলীয় কার্যালয়েও। সংসদ টিভিতে চোখ রেখে অফিস কর্মীরা গিলেছেন প্রিয়াঙ্কার বক্তৃতা। সংসদের নিরাপত্তা রক্ষী থেকে ক্যান্টিন বয়, এমপিদের পিএ থেকে সংসদীয় কার্যালয় কর্মী— প্রায় প্রত্যেকেই টিভিতে কিংবা মোবাইলে চোখ রেখে শুনেছেন প্রিয়াঙ্কার ভাষণ। কারও মুখে
ফুটল হাসি। কেউ বললেন, এ তো দেখি ইন্দিরা!



