সংবাদদাতা, ইসলামপুর: লকডাউন চলাকালীন অপরাধে জড়িয়ে জেলবন্দি থাকাকালীন রবিবার ধৃত শেখ হজরতের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়েছিল আব্দুল হোসেন ওরফে আবালের। পাঞ্জিপাড়া শ্যুটআউট কাণ্ডে সাজ্জাক আলমের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র পৌঁছে দেওয়া এবং পালাতে সাহায্য করে এই দু’জন। শনিবার সকাল সওয়া ৭টা নাগাদ পুলিসের গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ‘গ্যাংস্টার’ সাজ্জাক আলমের। তবে এখনও পর্যন্ত খোঁজ মেলেনি তার সহযোগী আব্দুল হোসেন ওরফে আবালের। সে বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ের নাগরিক। তার খোঁজে গোয়ালপোখরের বাংলাদের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে বাড়ানো হয়েছে পুলিসের নজরদারি। আবালের সঙ্গে শেখ হজরতও পালাতে সাহায্য করে সাজ্জাককে। কার্যত তারা তিনজনে মিলেই অপারেশন করেছিল।
Advertisement
ইসলামপুর কোর্টের সরকারি আইনজীবী সঞ্জয় ভাওয়াল বলেন, শনিবার শেখ হজরতকে আদালতে তুলেছিল পুলিস। বিচারক ১০ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। পাঞ্জিপাড়ায় পুলিসকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর মামলায় যুক্ত হজরত। শ্যুটআউটে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্রের জোগান দিয়েছিল সে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুষ্কৃতী গোয়ালপোখর থানার পূর্ব বলদিয়াবাসা এলাকার বাসিন্দা। পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সে। ভিনরাজ্য থেকে কাজ করে প্রায় একমাস আগে বাড়ি ফিরেছিল। এর মধ্যে শ্যুটআউট কাণ্ড পরিকল্পনা করে বাস্তবায়িত করেছে সে। ধৃতের পরিবার সূত্রেও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। শ্যুটআউটের পরের দিন আবাল ও হজরত একসঙ্গে ঘুরে বেরিয়েছিল বলদিয়াবাসা ও গহররা বাজার এলাকায়।
হজরতের বাবা আব্দুল রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার আবাল আমাদের বাড়িতে এসেছিল। ছেলেকে নিয়ে গহররা মাঠে গিয়েছিল। সেদিনই প্রথমবার আবাল বাড়িতে এসেছিল। ছেলে বলেছিল, বন্ধু হয়। জেলে দেখা হয়েছিল তাদের। লকডাউনের সময় আমার ছেলে ছিনতাইয়ের মামলায় ইসলামপুর জেলে ছিল। স্ত্রী ছবি খাতুনের কথায়, আবাল যেদিন বাড়িতে এসেছিল, সেদিন রাত ১২ টা নাগাদ স্বামীকে পুলিস ধরে নিয়ে গিয়েছে। আবালের সন্ধান দিতে পারলে পুলিস দু’লক্ষ টাকা দেবে এমন বিষয় জানা ছিল না। নাহলে সেদিনই পুলিসকে জানিয়ে দিতাম।
পুলিস ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুর মহকুমা সংশোধনাগারে বন্দি ছিল আবাল ও হজরত। সেখানে তাদের বন্ধুত্ব হয়। পরে প্রশাসনিক কিছু কারণে আবালকে রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগারে রাখা হয়েছিল। সেখানে আবাল ও সাজ্জাকের বন্ধুত্ব হয়।
গত বুধবার একেবারে ফিল্মি কায়দায় গোগালপোখরের পাঞ্জিপাড়ায় ৩১ নং জাতীয় সড়কে প্রিজন ভ্যান থেকে দুই পুলিসকর্মীকে গুলি করে পালিয়ে যায় সাজ্জাক। তাকে ইসলামপুর মহকুমা আদালত থেকে রায়গঞ্জের সেন্ট্রাল জেলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালেই ইসলামপুর পুলিস প্রশাসন ফেরার বন্দি ও এক সহযোগী আবালের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেয়। তাদের সন্ধান দিলে দু’লক্ষ করে মোট চার লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুষ্কৃতী গোয়ালপোখর থানার পূর্ব বলদিয়াবাসা এলাকার বাসিন্দা। পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে কাজ করে সে। ভিনরাজ্য থেকে কাজ করে প্রায় একমাস আগে বাড়ি ফিরেছিল। এর মধ্যে শ্যুটআউট কাণ্ড পরিকল্পনা করে বাস্তবায়িত করেছে সে। ধৃতের পরিবার সূত্রেও কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। শ্যুটআউটের পরের দিন আবাল ও হজরত একসঙ্গে ঘুরে বেরিয়েছিল বলদিয়াবাসা ও গহররা বাজার এলাকায়।
হজরতের বাবা আব্দুল রহমান বলেন, বৃহস্পতিবার আবাল আমাদের বাড়িতে এসেছিল। ছেলেকে নিয়ে গহররা মাঠে গিয়েছিল। সেদিনই প্রথমবার আবাল বাড়িতে এসেছিল। ছেলে বলেছিল, বন্ধু হয়। জেলে দেখা হয়েছিল তাদের। লকডাউনের সময় আমার ছেলে ছিনতাইয়ের মামলায় ইসলামপুর জেলে ছিল। স্ত্রী ছবি খাতুনের কথায়, আবাল যেদিন বাড়িতে এসেছিল, সেদিন রাত ১২ টা নাগাদ স্বামীকে পুলিস ধরে নিয়ে গিয়েছে। আবালের সন্ধান দিতে পারলে পুলিস দু’লক্ষ টাকা দেবে এমন বিষয় জানা ছিল না। নাহলে সেদিনই পুলিসকে জানিয়ে দিতাম।
পুলিস ও আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুর মহকুমা সংশোধনাগারে বন্দি ছিল আবাল ও হজরত। সেখানে তাদের বন্ধুত্ব হয়। পরে প্রশাসনিক কিছু কারণে আবালকে রায়গঞ্জ জেলা সংশোধনাগারে রাখা হয়েছিল। সেখানে আবাল ও সাজ্জাকের বন্ধুত্ব হয়।
গত বুধবার একেবারে ফিল্মি কায়দায় গোগালপোখরের পাঞ্জিপাড়ায় ৩১ নং জাতীয় সড়কে প্রিজন ভ্যান থেকে দুই পুলিসকর্মীকে গুলি করে পালিয়ে যায় সাজ্জাক। তাকে ইসলামপুর মহকুমা আদালত থেকে রায়গঞ্জের সেন্ট্রাল জেলে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার সকালেই ইসলামপুর পুলিস প্রশাসন ফেরার বন্দি ও এক সহযোগী আবালের ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে দেয়। তাদের সন্ধান দিলে দু’লক্ষ করে মোট চার লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়।



