সংবাদদাতা, বনগাঁ: নদী লিজ। শুনতে অবাক লাগলেও বাস্তবে সত্যি ঘটেছে। পঞ্চায়েত সমিতি আয় বাড়াতে নদী লিজ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই নিয়ে শুরু হয়েছে অশান্তি। স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা ব্লকে।
Advertisement
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাগদা পঞ্চায়েতের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া বেত্রাবতী নদী লিজ দিয়ে দিয়েছে পঞ্চায়েত সমিতি। ‘নদী কি করে লিজ দেওয়া যায়,’ প্রশ্ন তুলেছেন বাসিন্দারা। পঞ্চায়েত সমিতি জানিয়েছে, বাসিন্দাদের জন্য কাজ করতে আয় বাড়াতে নদী লিজ দেওয়া হয়েছে।
এখন লিজ দেওয়ার ফলে নদীর ওই অংশে মাছ ধরতে পারছে না এলাকার মানুষ। ফলে বিরোধিতা করছেন। জানা গিয়েছে, বাঁশ দিয়ে নদীর সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর জাল দিয়ে ঘিরে সেখানে মাছ চাষ করতে দেওয়া হয়েছে লিজ নিয়েছেন যাঁরা তাঁদের। ফলে নদীর ওই অংশে অন্য কারও মাছ ধরার অনুমতি নেই। বাগদা মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা। সেচের কাজে বেত্রাবতী নদীর উপরই নির্ভরশীল অনেকে। কৃষিকাজে নদীর জলের প্রয়োজন। তেমনই নদীতে পাট পচানো থেকে শুরু করে মাছ ধরা ইত্যাদি কাজের জন্যও নদীর উপর নির্ভরশীল তাঁরা। সেই নদী লিজ দেওয়ায় প্রবল সমস্যায় বাসিন্দারা। এর প্রতিবাদে বুধবার বাগদা বাজারে দুয়ারে পুলিস ক্যাম্পে গিয়ে সাগরপুর গ্রামের বাসিন্দারা লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। মানুষের দাবি, নদী লিজে দেওয়া যাবে না। সুশান্ত সরকার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমরা জানতে পারি নদী লিজ দেওয়া হয়েছে। লিজ কি করে দেওয়া যায় জানি না। তবে আমরা কখনই নদী লিজ দিতে দেব না।’
বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুদেবী মণ্ডল বলেন, ‘আগের বোর্ড নদী লিজ দিয়েছিল। আমরা সেই কারণে দিয়েছি। এর ফলে ব্যক্তিগত কারও লাভ হবে না। পঞ্চায়েত সমিতির তহবিল লাভবান হবে। মানুষের কথা ভেবে আমরা লিজ দিয়েছি।’ বাগদার বিডিও প্রসূন প্রামাণিক বলেন, ‘পঞ্চায়েত সমিতি নিজস্ব তহবিল বাড়াতে নদী লিজ দিয়েছে।’ -নিজস্ব চিত্র
এখন লিজ দেওয়ার ফলে নদীর ওই অংশে মাছ ধরতে পারছে না এলাকার মানুষ। ফলে বিরোধিতা করছেন। জানা গিয়েছে, বাঁশ দিয়ে নদীর সীমানা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এরপর জাল দিয়ে ঘিরে সেখানে মাছ চাষ করতে দেওয়া হয়েছে লিজ নিয়েছেন যাঁরা তাঁদের। ফলে নদীর ওই অংশে অন্য কারও মাছ ধরার অনুমতি নেই। বাগদা মূলত কৃষিপ্রধান এলাকা। সেচের কাজে বেত্রাবতী নদীর উপরই নির্ভরশীল অনেকে। কৃষিকাজে নদীর জলের প্রয়োজন। তেমনই নদীতে পাট পচানো থেকে শুরু করে মাছ ধরা ইত্যাদি কাজের জন্যও নদীর উপর নির্ভরশীল তাঁরা। সেই নদী লিজ দেওয়ায় প্রবল সমস্যায় বাসিন্দারা। এর প্রতিবাদে বুধবার বাগদা বাজারে দুয়ারে পুলিস ক্যাম্পে গিয়ে সাগরপুর গ্রামের বাসিন্দারা লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। মানুষের দাবি, নদী লিজে দেওয়া যাবে না। সুশান্ত সরকার নামে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমরা জানতে পারি নদী লিজ দেওয়া হয়েছে। লিজ কি করে দেওয়া যায় জানি না। তবে আমরা কখনই নদী লিজ দিতে দেব না।’
বাগদা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সুদেবী মণ্ডল বলেন, ‘আগের বোর্ড নদী লিজ দিয়েছিল। আমরা সেই কারণে দিয়েছি। এর ফলে ব্যক্তিগত কারও লাভ হবে না। পঞ্চায়েত সমিতির তহবিল লাভবান হবে। মানুষের কথা ভেবে আমরা লিজ দিয়েছি।’ বাগদার বিডিও প্রসূন প্রামাণিক বলেন, ‘পঞ্চায়েত সমিতি নিজস্ব তহবিল বাড়াতে নদী লিজ দিয়েছে।’ -নিজস্ব চিত্র



