ঘড়ির কাঁটা মেপে জীবন গুজরান করেন সাহেব কোম্পানির বড়কর্তা টিকে রায়। একমাত্র ভাইপো গোপী তার দেখাশোনা করে। একদিন বাথরুমে নিজেকে বন্দি করে নেয় গোপীর জেঠু তথা জ্যাজামশাই। গোপীর জীবনের নানা ভালো-মন্দে জুড়ে রয়েছে তার জেঠু। দু’জনের সম্পর্কের নানা স্তর। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট মিলেমিশে একাত্ম হয়ে উঠেছে এই দু’জনের সম্পর্কে। এমন প্রেক্ষাপটেই সদ্য উপস্থাপিত হল সংযোগসূত্র প্রযোজিত নাটক ‘জ্যাজামশাই’। নাটক, পরিকল্পনা ও নির্দেশনার দায়িত্বে ছিলেন সুমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়। গোপী রূপেও তাঁকেই দেখেছেন দর্শক। তৃপ্তি মিত্র সভাঘরে আয়োজিত এই নাটকে টানা অভিনয় করে গিয়েছেন সুমিত্র। জ্যাজা (অনিরুদ্ধ ঘোষ) ও ভাইপোর যুগলবন্দিতে জীবনের আনন্দ-দুঃখের চালচিত্র ফুটে উঠেছে। সঙ্গীত প্রয়োগ ও সহকারী পরিকল্পনায় শিঞ্জন বসু প্রশংসার দাবি রাখেন। আলোর পরিকল্পনায় ছিলেন জন হালদার। আলো প্রক্ষেপণে নিত্য নস্কর। মঞ্চ ভাবনা ও ছবি বিন্যাসে অয়ন। অঙ্গ বিন্যাসে ছিলেন ছন্দবানী দত্ত।



