Bartaman Logo
২৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

গবাদি পশু টেনে নিয়ে যাচ্ছে চিতাবাঘ, আতঙ্ক

সন্ধ্যা নামলেই চিতাবাঘের আনাগোনা শুরু হচ্ছে এলাকায়। তাতেই আতঙ্কিত মাদারিহাটের পূর্ব খয়েরবাড়ি ও মেঘনাদ সাহা নগরের বাসিন্দারা।

গবাদি পশু টেনে নিয়ে যাচ্ছে চিতাবাঘ, আতঙ্ক
  • ২৫ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: সন্ধ্যা নামলেই চিতাবাঘের আনাগোনা শুরু হচ্ছে এলাকায়। তাতেই আতঙ্কিত মাদারিহাটের পূর্ব খয়েরবাড়ি ও মেঘনাদ সাহা নগরের বাসিন্দারা। মাদারিহাটের ওই দু’টি এলাকা থেকে জলদাপাড়া জঙ্গলের দূরত্ব মাত্র পাঁচশো মিটার। রবিবার গভীর রাতে পূর্ব খয়েরবাড়ির বাসিন্দা কৃষ্ণা কৈরালার বাড়িতে হানা দিয়ে তিনটি ছাগল টেনে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে চিতাবাঘ। গুরুতর জখম হয়েছে আরও একটি ছাগল। রবিবারের রাতের ওই ঘটনার পরেই রীতিমতো আতঙ্ক গ্রাস করেছে পূর্ব খয়েরবাড়ির বাসিন্দাদের। 

Advertisement

কৃষ্ণাদেবী ছাগল পালন করে সংসার চালান। তিনি বলেন, আমি গরিব মানুষ। আমার সম্বল ছিল ওই চারটি ছাগলই। তারমধ্যে তিনটি ছাগল টেনে নিয়ে গিয়ে মেরে ফেলেছে চিতাবাঘ। একটি ছাগলকে মারাত্মকভাবে জখম করেছে। জখম ছাগলটিও বাঁচবে না। 
এলাকার বাসিন্দারা বলেন, রাতে চিতাবাঘ গবাদি পশু টেনে নিয়ে যাচ্ছে ঠিক কথা। কিন্তু, এখন তো দেখছি আমাদের জীবনও বিপন্ন। এরপর তো মানুষও টেনে নিয়ে যাবে। আমাদের দাবি, চিতাবাঘ ধরতে বনদপ্তরকে এলাকায় খাঁচা বসাতে হবে। 
এদিকে, মেঘনাদ সাহা নগরেও চিতাবাঘের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে অবশ্য হাতির হানা প্রায়ই ঘটে। মেঘনাদ সাহা নগর এলাকাটি মাদারিহাট সদরের মধ্যেই পড়ে। রবিবার রাতে চিতাবাঘ তিনটি ছাগল মেরে ফেলার ঘটনার পর বনদপ্তর অবশ্য নড়েচড়ে বসেছে। দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, লিখিত আবেদন জানালে ক্ষতিগ্রস্ত পশুপালককে সরকারিভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। চিতাবাঘের আতঙ্ক কাটাতে দপ্তরের তরফে সেখানে নজরদারি শুরু 
করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ