Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের প্রশ্নের মুখে নেতারা, চোপড়ায় বড় সভার পরিবর্তে জনসংযোগে জোর পদ্মপার্টির

বিধানসভা ভোটের দামামা বাজার আগেই রণকৌশল বদলে কোমর বেঁধে নেমেছে বিজেপি। বড় জনসভার মোহ ত্যাগ করে এখন মানুষের দুয়ারে পৌঁছনোই লক্ষ্য পদ্মপার্টির।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের প্রশ্নের মুখে নেতারা, চোপড়ায় বড় সভার পরিবর্তে জনসংযোগে জোর পদ্মপার্টির
  • ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, চোপড়া: বিধানসভা ভোটের দামামা বাজার আগেই রণকৌশল বদলে কোমর বেঁধে নেমেছে বিজেপি। বড় জনসভার মোহ ত্যাগ করে এখন মানুষের দুয়ারে পৌঁছনোই লক্ষ্য পদ্মপার্টির। গত ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে চোপড়া বিধানসভা জুড়ে শুরু হয়েছে বিজেপির ত্রিফলা কর্মসূচি- হর ঘর সম্পর্ক, বুথ বিজয় এবং লাভার্থী সম্পর্ক অভিযান। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে এই নিবিড় জনসংযোগ। 

Advertisement

দলীয় সূত্রে খবর,প্রতিটি বুথে পাঁচটি করে ছোট সভার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় নেতৃত্বের হাতেই এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের উপভোক্তা বা ‘লাভার্থীদের’ সঙ্গে সরাসরি কথা বলছেন কর্মীরা। শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সহ সভাপতি অসীম বর্মন জানান, ভোট ঘোষণা হলে বড় কর্মসূচি হবেই। তবে এখন ছোটো ছোটো সভার মাধ্যমে বুথ মজবুত করাই আমাদের লক্ষ্য। শুধু তাই নয়, চোপড়া এলাকার বিভিন্ন দুর্নীতি নিয়ে একটি চার্জশিট তৈরি করছে গেরুয়া শিবির। যা নির্বাচনের আগে মানুষের সামনে তুলে ধরা হবে। 
তবে প্রচারের ময়দানে নেমে স্থানীয়দের ক্ষোভ এবং প্রশ্নের মুখেও পড়তে হচ্ছে বিজেপি কর্মীদের। নিশানায় খোদ দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ। ভোটারদের একাংশের অভিযোগ, জেতার পর সাংসদকে এলাকায় দেখা যায়নি, থমকে রয়েছে উন্নয়নও। এই জনরোষ সামলাতে ঘাম ছুটছে নেতাদের। বিজেপি নেতা ভবেশ করের সাফাই, সাংসদ নিজে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কল সারাবেন না। এলাকায় কাজ করার ইচ্ছা থাকলেও অনেক সময় এনওসি না পাওয়ায় সাংসদ তহবিলের কাজ আটকে যায়। তবে পিএমজিএসওয়াই রাস্তা বা সোলার লাইটের কাজ সাংসদ বিচক্ষণতার সঙ্গেই করছেন। 
প্রার্থী বাছাই নিয়েও এবার বড়সড় চমক দিতে চাইছে বিজেপি। 
সূত্রের খবর, রাজ্য নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, এবার আর কোনো বহিরাগত প্রার্থী নয়। দলের দুর্দিনের কর্মী বা স্থানীয় ভূমিপুত্রকেই টিকিট দেওয়া হবে। 
স্থানীয় আবেগ ও অনুন্নয়নকে হাতিয়ার করেই নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে চাইছে তারা। রবিবার চোপড়ার সোনাপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় হর ঘর সম্পর্ক অভিযান হয়। এদিন দলীয় কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে অভাব-অভিযোগ শোনেন। সাংসদকে নিয়ে তৈরি হওয়া জনরোষ কাটিয়ে বিজেপি কতটা জমি ফিরে পায়,  সেটাই এখন দেখার। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ