সংবাদদাতা, সিউড়ি: দুবরাজপুরের লোবায় বেআইনিভাবে জমি কেনার অভিযোগ তুলে ফের আন্দোলনে নামলেন জমিদাতারা। তাঁদের অভিযোগ, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় সরকারের মনোনীত একটি বেসরকারি সংস্থা সেখানে কয়লাখনি করার জন্য জমি কেনা শুরু করেছে। কোনও প্যাকেজ বা ক্ষতিপূরণ ঘোষণা না করেই ওই খনির জন্য জমি কেনা হচ্ছে। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার লোবা কৃষিজমি রক্ষা কমিটি মিছিল করে।
Advertisement
এদিন লোবার ধর্নামঞ্চ থেকে ৭০০-র বেশি গ্রামবাসী মিছিল করে পঞ্চায়েত অফিসে যান। সেখানে পঞ্চায়েতের প্রধানকে এবিষয়ে স্মারকলিপি দেন। আন্দোলনকারীরা জানান, কেন্দ্রীয় সরকার মনোনীত ওই সংস্থা জমি কেনার জন্য লোবায় একটি অফিসও খুলেছে। কিন্তু, তাঁরা চাইছেন, জমি নেওয়া হলে গ্রামবাসীদের ন্যায্য ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক। দেউচা পাচামি খনিশিল্পের আদলে এই কাজ করার দাবি তুলেছেন গ্রামবাসীরা।
লোবা কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সম্পাদক জয়দীপ মজুমদার বলেন, আমরা আগেও বলেছি যে, আমরা শিল্পের বিরোধী নই। কিন্তু, আমাদের জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দিলে কীভাবে শিল্প হবে? আমরা চাই, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে দেউচা পাচামির আদলে ন্যায্য ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে শিল্প করা হোক। বেসরকারি সংস্থা গ্রামবাসীদের না জানিয়ে যে অফিস করেছে, তা বন্ধ করা হোক। তা না হলে আমরা বড় আন্দোলনে নামব। লোবা পঞ্চায়েতের প্রধান সুরজিৎ সূত্রধর বলেন, আমরা ওই বেসরকারি সংস্থাকে চিঠি দিয়ে তাদের কী কাগজপত্র আছে, তা দেখানোর নির্দেশ দিয়েছি। সঠিক কাগজপত্র না দেখাতে পারলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোবা কৃষিজমি রক্ষা কমিটির সম্পাদক জয়দীপ মজুমদার বলেন, আমরা আগেও বলেছি যে, আমরা শিল্পের বিরোধী নই। কিন্তু, আমাদের জমির ন্যায্য ক্ষতিপূরণ না দিলে কীভাবে শিল্প হবে? আমরা চাই, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে দেউচা পাচামির আদলে ন্যায্য ক্ষতিপূরণের বিনিময়ে শিল্প করা হোক। বেসরকারি সংস্থা গ্রামবাসীদের না জানিয়ে যে অফিস করেছে, তা বন্ধ করা হোক। তা না হলে আমরা বড় আন্দোলনে নামব। লোবা পঞ্চায়েতের প্রধান সুরজিৎ সূত্রধর বলেন, আমরা ওই বেসরকারি সংস্থাকে চিঠি দিয়ে তাদের কী কাগজপত্র আছে, তা দেখানোর নির্দেশ দিয়েছি। সঠিক কাগজপত্র না দেখাতে পারলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



