Bartaman Logo
৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নজরদারির অভাব, কালুয়াজোতের সামাজিক বনসৃজন প্রকল্প থেকে সাফ হয়ে যাচ্ছে গাছ

কালুয়াজোতের সামাজিক বনসৃজন প্রকল্পে গাছ চুরি হচ্ছে। নজরদারির অভাবে ক্ষতি হচ্ছে প্রকল্পের। বিস্তারিত পড়ুন।

নজরদারির অভাব, কালুয়াজোতের সামাজিক বনসৃজন প্রকল্প থেকে সাফ হয়ে যাচ্ছে গাছ
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

অপু রায়, নকশালবাড়ি: ভারত-নেপাল সীমান্ত নকশালবাড়ি ব্লকের কালুয়াজোতে সামাজিক বনসৃজন প্রকল্পে গড়া জঙ্গলের গাছ চুরি হয়ে যাচ্ছে। যদিও এ নিয়ে নির্বাক বনবিভাগ। ইতিমধ্যেই ওই বনের একাধিক গাছ কেটে পাচার করা হয়েছে। যা নিয়ে ক্ষোভ জমছে বিভিন্ন মহলে। 

Advertisement

প্রকল্পস্থলে প্রচুর খয়ের ও শিশু গাছ রয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ শিশুগাছ কেটে ফেলা হয়েছে। সামাজিক বনসৃজন প্রকল্প দু’দেশের সীমান্তে রয়েছে। সীমান্তের এই অংশে মানুষের যাতায়াত খুব একটা নেই। আর এই সুযোগেই মাঝেমধ্যে গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। বাগডোগরা সোশ্যাল ফরিস্ট্রি রেঞ্জের অধীনে এই বনটি। সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের বিট অফিস রথখোলায়। বনকর্মীদের নজরদারির অভাবেই জঙ্গলের গাছ সাফ হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। মূলত জ্বালানি কাঠের জন্য গাছগুলি যথেচ্ছভাবে কে বা করা কেটে ফেলছে। 
স্থানীয় বাসিন্দা মহম্মদ নাসিরদ্দিন বলেন, এখানে প্রচুর গাছ রয়েছে। এটি পরিচর্চা করা হলে এলাকার সৌন্দর্য যেমন বাড়বে, তেমনই বন্যজন্তু, পাখিদের আবাসস্থল হতে পারে। একে ঘিরে পর্যটন কেন্দ্রও গড়া যেতে পারে। তা বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। 
এনিয়ে শিলিগুড়ির এক পরিবেশপ্রেমী সন্দীপ সরকার বলেন, সীমান্তের মেচি নদী ঘেঁষে এই সামাজিক বনটি রয়েছে। সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে দিনের আলোতেই গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এলাকায় হাতির আনাগোনা রয়েছে। বনটি পরিচর্চা হলে হাতির দল আশ্রয় নিতে পারবে। 
শিলিগুড়ি সোশ্যাল ফরিস্ট্রি ডিভিশনের বনাধিকারিক বিদিশা বসাক বলেন, ওই এলাকায় সামাজিক বনসৃজনের প্ল্যান্টেশন কী অবস্থায় আছে, তা নিয়ে স্থানীয় রেঞ্জারের কাছ থেকে খোঁজ নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সম্পর্কিত সংবাদ