নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে আয়াদের দাপট নিয়ে একাধিক অভিযোগ উঠে আসছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী, হাসপাতালে আয়া রাখার নিয়ম নেই। একমাত্র রোগীর বাড়ির লোকজনই থাকতে পারবেন। কিন্তু এই হাসপাতালে রোগীদের রীতিমতো আয়া রাখতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ। এর জেরে হাসপাতালে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে গেলে, তখন অন্যরকম পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তাই আয়াদের যাতে রোগীদের সঙ্গে থাকতে না দেওয়া হয়, সেই আর্জিও জানিয়েছেন তাঁরা। এ বিষয়ে হাসপাতাল সুপার পার্থসারথি কয়াল বলেন, এটা একটা সমস্যা ঠিকই। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। তারা যেমন নির্দেশ দেবে, সেভাবেই পদক্ষেপ করা হবে।
Advertisement
ক্যানিং মহকুমা এবং মাতৃমা হাসপাতালে একটা বড় সংখ্যক প্রসূতি ভর্তি হন। অনেকেই জানাচ্ছেন, মূলত এই প্রসূতিদের জন্যই আয়া রাখতে হবে বলে চাপ আসে আত্মীয়দের কাছে। রোগীদের বিছানার পাশে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকেন তাঁরা। অথচ বাড়ির লোক থাকতে চাইলে তাঁদের নানারকম বুঝিয়ে বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে এমন অবস্থা চলছে বলে জানা গিয়েছে। শম্পা কায়াল নামে এক রোগীর আত্মীয় বলেন, আমাদের বাড়ির মেয়ে ভর্তি হাসপাতালে। প্রথম দিন থেকেই তাঁদের রাখার জন্য কিছু আয়া জোর করতে থাকেন। আমরা প্রথমে না করেছিলাম। কিন্তু তাঁরা নাছোড়বান্দা। বাধ্য হয়ে একজনকে রাখতে হয়েছে।
প্রশ্ন হল, হাসপাতালের নিষেধ সত্ত্বেও কীভাবে এই আয়ারা রোগীদের কাছে পৌঁছে কাজ করছেন? কোথাও কি নজরদারির অভাব রয়েছে? কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীর আত্মীয় বলে দাবি করে ফাঁকতালে এই মহিলারা ঢুকে পড়ছেন।
প্রশ্ন হল, হাসপাতালের নিষেধ সত্ত্বেও কীভাবে এই আয়ারা রোগীদের কাছে পৌঁছে কাজ করছেন? কোথাও কি নজরদারির অভাব রয়েছে? কর্তৃপক্ষের দাবি, রোগীর আত্মীয় বলে দাবি করে ফাঁকতালে এই মহিলারা ঢুকে পড়ছেন।



