নয়াদিল্লি: বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবগারি দুর্নীতি নিয়ে হাইকোর্টে তীব্র ভর্ৎসনার মুখে দিল্লির আপ সরকার। ফাঁস হয়েছে আবগারি নীতি নিয়ে ক্যাগের রিপোর্ট। সেখানে বেশ কিছু অসঙ্গতি উল্লেখ করা হয়েছে বলে খবর। যা নিয়ে শুধু হয়েছে রাজনীতি। সময়মতো ক্যাগের সেই রিপোর্ট বিধানসভায় না পাঠানোয় সোমবার উষ্মা প্রকাশ করেছে হাইকোর্ট। এদিন বিচারপতি শচীন দত্তের বেঞ্চ তার পর্যবেক্ষণে বলেছে, ‘আপনাদের এই রিপোর্ট দ্রুত বিধানসভার স্পিকারের কাছে পাঠানো উচিত ছিল। তা নিয়ে বিধানসভায় আলোচনা শুরু করা যেত। কিন্তু আপনারা সেটি চেপে রেখে দিয়েছেন। এতে আপনাদের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ দেখা দিচ্ছে।’ মামলার পরবর্তী শুনানি ১৬ জানুয়ারি।
Advertisement
ক্যাগের রিপোর্টের উপরে বিধানসভায় আলোচনার চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন বিরোধী দলনেতা বীজেন্দ্র গুপ্ত সহ সাত বিজেপি বিধায়ক। এদিন শুনানিতে আপ সরকারের তরফে সওয়াল করা হয়, দিল্লিতে নির্বাচন আসন্ন। এই অবস্থায় বিধানসভার অধিবেশন ডাকা সম্ভব নয়। গত শুনানিতেও কার্যত একই বক্তব্য পেশ করেছিল আপ সরকার। তাদের যুক্তি ছিল, ফেব্রুয়ারিতে বিধানসভার মেয়াদ শেষ হচ্ছে। যে কারণে এখন বিধানসভায় রিপোর্ট প্রকাশ করলেও কোনও কাজে আসবে না। এদিন সওয়াল-জবাব চলাকালীন আদালতে উত্তপ্ত বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়ে মামলার দুই পক্ষই। আদালতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে বিজেপি রাজনীতি করছে বলে অভিযোগ করেন দিল্লি সরকারের আইনজীবী রাহুল মেহরা। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক স্বার্থে আদালতকে ব্যবহার করছে বিজেপি।’ এমন পরিস্থিতিতে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত মামলা মুলতুবি করে দেন বিচারপতি দত্ত। তাঁর সংযোজন, ‘আশাকরি তখন পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হবে।’



