Bartaman Logo
২৮ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কার্শিয়াং: টয় ট্রেনের ধাক্কায় জখম ছাত্রীর মৃত্যু, রেলের উপরই দায় চাপাল পরিবার

টয় ট্রেনের ধাক্কায় জখম কিশোরী রোশনি রাইয়ের(১৪) মৃত্যু হল। মেয়েকে হারিয়ে রেলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার।

কার্শিয়াং: টয় ট্রেনের ধাক্কায় জখম ছাত্রীর মৃত্যু, রেলের উপরই দায় চাপাল পরিবার
  • ২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি ও দার্জিলিং: টয় ট্রেনের ধাক্কায় জখম কিশোরী রোশনি রাইয়ের(১৪) মৃত্যু হল। মেয়েকে হারিয়ে রেলের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে পরিবার। মঙ্গলবার ন্যায়বিচার চেয়ে কার্শিয়াং স্টেশনের সামনে স্থানীয়রা সভা করেন। সেখানে উপস্থিত থেকে জিটিএ চিফ অনীত থাপা রেলের বিরুদ্ধে কার্যত ক্ষোভ উগরে দেন। বারবার টয় ট্রেনের দুর্ঘটনার তাঁরা একটি কমিটি গঠন করেছেন। জিটিএ নিহতের পরিবারকে এক লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণও দেবে।

Advertisement

সোমবার কার্শিয়াংয়ে টয় ট্রেনের ধাক্কায় রোশনি রাই নামে মকাইবাড়ি চা বাগান এলাকার এক কিশোরী গুরুতর জখম হয়। ইঞ্জিনের কোনায় আটকে যাওয়ায় টয় ট্রেন রোশনিকে কিছুটা দূর হিঁচড়ে নিয়ে যায়। তার সঙ্গী জখম হলেও চোট গুরুতর ছিল না। কার্শিয়াং হাসপাতাল থেকে ওই ছাত্রীকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। তবে বাড়ির লোক শিলিগুড়ির একটি নার্সিংহোমে রোশনিকে ভর্তি করান। সোমবার গভীর রাতে সেখানেই সে মারা যায়। মঙ্গলবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে তার মৃতদেহের ময়নাতদন্ত হয়।
মৃতের মামা সনীপ ছেত্রী এদিন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে মর্গের সামনে দাঁড়িয়ে বলেন, টয় ট্রেনের গতি যথেষ্ট বেশি ছিল। রোশনি হেডফোন লাগিয়ে মোবাইলে কথা বলতে বলতে রাস্তা দিয়ে চলছিল। এটা রেলের মিথ্যে রটনা। আমার ভাগ্নির মোবাইল ছিল না। ডাক্তার দেখিয়ে সে বাড়ি ফিরছিল। রেলের বিরুদ্ধে আমরা গাফিলতির অভিযোগ দায়ের করেছি। চালকের চূড়ান্ত গাফিলতি ও অদক্ষতার জন্য ভাগ্নিকে হারাতে হলো।
এদিকে মৃতার পরিবারের অভিযোগ মানতে নারাজ দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ের (ডিএইচআর) ডিরেক্টর ঋষভ চৌধুরী। তিনি বলেন, এদিনও আমরা ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেছি। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলেছি। পুলিস সিসিটিভি ফুটেজ দেখে জানিয়েছে, রোশনি হেডফোন লাগিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিল। স্বাভাবিক গতিতেই ট্রেন চলছিল। দুর্ঘটনাস্থল ঢালু ছিল। তাই চালক সময়মতো ট্রেন থামাতে পারেননি।  
তাঁর বক্তব্য,লাইনের ধারে রাস্তা অনেক জায়গায় জবর দখল হয়ে গিয়েছে। এই কারণে টয় ট্রেন দূর থেকে এলেও দেখার সুযোগ নেই। জবরদখল নিয়ে জিটিএ প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তারা সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। মৃতার পরিবার যাতে দ্রুত রেলের তরফে ক্ষতিপূরণ পায় সে ব্যাপারে আমরা সবরকম সহযোগিতা করছি।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ